মাফরূহা বেগমের ১২টি কবিতা

Home Page » সাহিত্য » মাফরূহা বেগমের ১২টি কবিতা
বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮



 সোনার বাংলাদেশ

১। সোনার বাংলাদেশ
যে দেশে নদীরা রূপালী রেখায়
সাগরের পানে ধায়,
কুন্জে কুন্জে ফুলের সুরভি
বহে সুমন্দ বায়।
যে দেশে পাখিরা ভোর হতে জাগে উতরোল কলরোলে
সন্ধাবেলায় যে দেশে আকাশে
তারার চাদোয়া দোলে,
শস্যক্ষেের মাঠে মাঠে যেথা
বাতাস ঢেউ জাগায়,
নদীর বুকেতে মাঝিরা যে দেশে
ভাটিয়ালী গান গায়।
কৃষানেরা যেথা মাতোয়ারা হয়
ধানকাটা পার্বণে
ফাল্গুনে যেথা রক্তবরণ
কৃষ্ণচূড়ার বনে।
গ্রীষ্মে যে দেশে ফলের বাগানে
মুকুল মন্জরিত,
মধুলোভে সেথা মৌমাছি সব
ভীড় করে অবিরত।
বর্ষায় সোদা মাটীর গন্ধে
মন কোথা ভেসে যায়,
বৃষ্টিধারার গানের ছন্দে
সূর খুজে খুজে পাই।
গল্পগাথায় যে দেশের মাটী
ভরে আছে অফুরান,
যে দেশের বুকে ঘুমিয়ে রয়েছে
কত অমূল্য প্রান।
সে যে আমার জন্মভূমি
সোনার বাংলাদেশ,
বড় ভালবাসি,কত ভালবাসি
নেই যার কোন শেষ।

২। দাদার স্মৃতি
দাদাকে হারিয়েছিলম সেই কবে
কতদিন আগে,
তখনো পড়েনি ধূলা স্মৃতির সুনিপুন শরীরে।
উড়ত প্রতিদিন সেথা শান্তির স্বেত কবুতর,
বিশিষ্ট পরিচিতি ছিল অগনিত
মানুষের ভীড়ে।
তখম আকাশবুকে অফুরন্ত
তারার মিছিলে,
হারাতাম দুজনে মিলে যথারীতি
প্রতিদিন সাঝে,
আমাকে বলতেন ডেকে গুনতে
আকাশের তারা
পূরানো সে স্মৃতিখানি আজো
মনে ঝংকারে বাজে।
অবুঝ শিশুটি আমি চেয়ে চেয়ে
আকাশের পানে,
এক দুই তিন করে গুনতাম আধো আধো স্বরে
এইটুকু খুব বেশী উপভোগ
করতেন তিনি,
হাসতেন খুব করে অজানা খুশীতে মন ভরে।
যখন হচ্ছি বড় প্রকৃতির
অমোঘ নিয়মে
তখনো তার কাছে আমি সেই
শিশুটিই আছি,
তিনিও হাটছেন ধীরে শেষবেলা
অস্তাচলের পানে,
তখনো প্রায়ই আমি থাকতাম
তার কাছাকাছি।
কখনো বলতেন ডেকে সহসা
অবাক করে মোরে,
আমার মৃত্যুতে তুই কাঁদবি
ঠিকই আমি জানি,
এখনই জানতে চাই, কাঁদবি
কেমন করে তুই,
পারিস কি দেখাতে মোরে
সেদিনের সেই কান্নাখানি?
লজ্জা পেতাম খুব, তবুও
নাছোড়বান্দা তিনি,
কখনো ছল করে কেঁদে আমি
দেখাতাম তাকে,
অবশেষে খুশী হয়ে হাসতেন তিনি প্রান খুলে
চাদও হাসত বুঝি সেই সাথে
বহুূূদূরে মেঘের ফাকে।
দিন এসে দিন যায়,দিন হয়ে গেল গত,
অবশেষে একদিন বিশাল হৃদয় থেকে তার,
সবকিছু ছুড়ে ফেলে,হারিয়ে গেলেন তিনি
পিছনে গেলেন ফেলে জীবনের যত দায়ভার।ৃ
আকাংখিত সমাজ সভ্যতা অতিদূর থেকে,
সম্ভ্রমে হাত নেড়ে বিদায় জানাল তাকে
মৃত্যুর আলিঙ্গনে সমর্পিত
অসহায় তিনি
হারালেন চিরতরে অজামা পথের বাঁকে।

৩। ছেলেটি
মাঠের ওপাশে আত্মীয়ের বাড়ী।
এপাশে ছাত্রীনিবাস।
সবুজ একখন্ড মাঠ,
ঘাসে ঘাসে ছেয়ে থাকে,
মাঝখানে পায়ে চলার পথ।
বৃষ্টিভেজা এক রংধনুর বিকালে
মেয়েটি ফিরছিল আত্মীয়ের
বাড়ী থেকে।
ঃ- শুনুন।অচেনা কন্ঠের ডাকে
থমকায় মেয়েটি।
ঃ- আমি আপনাকে চিনি।
মেয়েটি মুখ ফেরায়,দেখে,
একটি ছিপ ছিপে লম্বা
শ্যামলা চেহারার সুন্দর যুবক।
হ্যা,তাকেই বলছে।
মেয়েটির সপ্রস্ন চোখের দিকে তাকিয়ে ছেলেটি বলে,আমার নাম মানিক।আমি ইন্জিনীয়ারিং
কলেজের ফাইনাল ইয়ারে পড়ি।আপনার বাড়ীর কাছই
আমার বাড়ি!আমি আপনার ভাইকে চিনি।আপনার চাচাকেও। ‘
ছেলেটি হাটে মেয়েটির পাশেপাশে ঘনিষ্টভাবে।
শান্ত নতমুখী মেয়েটির দিকে তাকিয়ে ছেলেটি একাই কথা বলে।
এম এ ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রী
মেয়েটি ভদ্রভাবে বলে- ‘ও,তাই নাকি?’
মাঠের পথ শেষ হয়ে যায়।ছাত্রীনিবাসের কাছাকাছি এসে
দুজনে দুদিকে বিদায় নেয়।
কিন্তু ছেলেটি সাহস করে বলতে পারেনা আর কিছুই।
জন্মগত সংস্কারাবদ্ধ মেয়েটিও
চুপই করে থাকে।
এক অব্যক্ত চাপা ভালোলাগা বুকে নিয়েই দুজনের পথ দুদিকে বিলীন হয়ে যায়।
কিছুদিন পরে যখন ছেলেটির ক্লাসমেট অন্য একজনের সাথে
হঠাত মেয়েটির বিয়ে হয়ে যায়,
ছেলেটি তখন বলে,আমি তাকে চিনতাম।সে খুব ভাল মেয়ে ছিল। আপনি ভাগ্যবান।

৪।পাখির প্রেম
অবুঝ পাখি সবুজ টিয়ার
লাল টুক টুক ঠোঁটে
ফটফটিয়ে অবাক করা
হরেক কথা ফোটে।
ঘরের পাশের গাছটাতে সে
আসা যাওয়া করে,
সারাবেলা আঙিনাটি
কথায় তোলে ভরে।
দুঃখী যে এক মেয়ে ফাতু
ভাব করে তার সাথে,
সারাবেলা দুইজনেতে
কথার মালা গাঁথে।
ফাতুর কাছে অবুঝ পাখি
শেখে বুলি সবই,
এমনি করেই দুইজনেতে
ভাব হয়ে যায় খুবই।
গাছের ডালে বসে পাখি
ডাকে ফাতু ফাতু,
ভীষন খুশী হয় যেন সে
খেতে পেলে ছাতু।
ভর দুপুরে কোথা থেকে
উড়ে এসে গাছে,
ডেকে বলে,ওলো ফাতু
আয় না আমার কাছে।
কখনোবা বলে সেযে
কি করিস লো সই,
ক্ষিধের জ্বালায় মরছি আমি
দেনা আমায় খই।
পাখির প্রেমে পড়ে ফাতুর
দিন কেটে যায় বেশ
থাকেনা আর মনে যে তার
কোন দুখের রেশ।
ও পাড়ার এক দুষ্টু ছেলে
পিন্টু যে তার নাম,
সারাবেলা ঘুরে বেড়ায়
নেই কোন কাজ কাম।
হঠাত করেই পিন্টু সেদিন
দেখল পাখিটারে
গুলতি ছুড়ে সহসা সে
বসল মেরে তারে।
অবুঝ পাখির কান্না শুনে
ঘরের বাহির হয়ে,
দেখল ফাতু,পাখি আছে
তার আঙিনায় শুয়ে।
কাদে ফাতু পাখিটারে
নিয়ে বুকে তুলে
পাখির শোকে গেল যেন
সকল কিছু ভূলে।
দিন কেটে যায় একলা ফাতুর
পাখির কথা ভেবে,
জানেনা সে এ দুঃখকে
ভূলবে কেমন ভাবে।

৫।শীত
শীতের প্রকোপ বাড়ছে ক্রমে
চারিদিকে ঠান্ডা,
শীত মহাশয় আসছে ধেয়ে
হাতে নিয়ে ডান্ডা।
ঠক্ ঠক্ ঠক্ কাঁপছে মানুষ
শীতের চোটে ভাইরে,
একটুখানি সুখের ছোয়া
কোথাও দেখি নাইরে।
ছোটবড় সবাই এখন
হন্যে হয়ে ফিরছে,
পাচ্ছে যেথা একটু আরাম
সেথায় গিয়ে ভিড়ছে।
কাপছে বুড়ো বুড়ি সদা
এযে কেমন কষ্ট,
হাত পা বুঝি যায় সেধিয়ে
হয়ে যে আড়ষ্ট।
কেউবা ঢুকে লেপের তলে
দিচ্ছে কষে ঘুমযে,
গরম জামা কাপড়গুলো
চলছে পরার ধুমযে।
চারিদিকে শীত যে ক্রমেই
করছে আধিপত্য,
প্রতিবছর আসবে ফিরে
এযে খুবই সত্য।
শীতের পরেই বসম্তকাল
আসবে ফিরে তাইতো,
যতই শীতের বাহাদুরি
কূছ পরোয়া নাইতো।

৬। তুমি কেগো?
তুমি কেগো আজ এই পড়ন্ত বেলায়,
একমুঠো বর্নিল রোদ ছড়ালে আঙিনায়।
দুচোখ ভরে দিলে স্বপ্নের রঙিন ছোয়ায়
রাত্রি বুঝি জাগিয়ে দিলে আলোকের অমল জোসনায়।
বুকের গহীনে জাগে উত্তাল
ঢেউয়ের উচ্ছাস,
দুচোখ জাগিয়ে রাখে তবুওতো
মেটেনাতো আশ।
তুমি কেগো মায়া,মরিচীকা নাকি
কূহেলিকা
কোন দূরাগত আগন্তক তুমি
অচেনা,অদেখা।
ছিলে কোন দূরদ্বীপে এতদিনে
এলে তুমি তাই,
স্নাত হই প্রতিক্ষনে অফুরন্ত
আলোর ধারায়।
এলে তুমি কোন এক সুরহারা,ছন্দহারা দিনে
দাড়ালে সন্মুখে মোর যেন নিতে পারি চিনে।
কনক প্রদীপখানি জ্বেলে দিতে
মোর আঙিনায়,
সে আলোয় আধারের মাঝে সমুখের পথ খুজে পাই।
তোমারে চিনেছি আমি এইকথা
বলে মোর মন,
তুমি যে চিরদিনের চেনা মোর,
আজন্ম স্বজন।

৭। ময়ূরী মন
আকাশ কোনে মেঘের সাজন

বৃষ্টি এলো ঐ,
তাইনা দেখে ময়ূরী মন
করে তাথৈ থৈ।
ডুবল বেলা,ভাংলো খেলা
সব হলো সয়লাব,
হারতে গিয়েও কেমন করে
হলো যে জয়লাভ,
কোথায় গেল পায়েল জোড়া
কই গেলরে, কই
ময়ূরী মোর মনটা করে
তাথৈ তাথৈ থৈ।
মনের সুখে পরেছি যে
চাপাবরণ শাড়ী,
সাজিয়েছি দুহাত পরে
চূড়ি বেলোয়ারী,
রঙিন সাজে সাজিয়ে পা
মেহেদিতে হাত,
বসেছিলাম একলা একা
নিঘূম সারারাত।
শুনলে লোকে পাড়া জুড়ে
করবে যে রৈ রৈ,
ময়ূরী নাচ নাচছে এমন
তাথৈ তাথৈ থৈ।
৮। হাবু বাবুর জুতা
হাবু বাবুর জুতার খবর
কেউ কি জানে ভাই?
এবার আমি আজব জুতার
খবর বলে যাই।
এক পা জুতার লম্বা ভীষন
বেরিয়ে পড়ে পা টা,
অন্যপায়ের জুতাখানি
দেখতে খুবই মোটা।
আজব জুতা পরে হাবু
আনন্দে আটখান,
মনের সুখে ধরে সে যে
হরেক রকম গান।
নুতন জুতা পরে হাবু
বাজার পানে যায়,
লোকেরা সব অবাক হয়ে
জুতার পানে চায়।
হাটতে মোটে পারেনা সে
এ কি ভীষন দায়?
মাঝে মাঝে হোচট খেয়ে
পড়ে পড়ে যায়।
অবশেষে হাবু বাবু
খেয়ে ভীষন চোট
থেতলে গেল মুখখানি তার
কাটল যে তার ঠোট।
পন করল হাবু এবার
ছাড়বে সে এই জুতা,
করল বটে কাজটা ঠিকই
ভাবল সে যেই কথা।
জুতাছাড়া হাবু এখন
খালি পায়ে হাটে,
এভাবে তার চলছে ভালই
বিপদ নেইতো মোটে।

৯। মায়ের শেষ বিদায়ের পরে
সে ছিল মমতার উতস ধারা
রুপে অস্তিত্ববান হয়ে পৃথিবীর ‘পরে।
আমার মাথার উপরে ছিল তার
অদৃশ্য ছায়ালোক-স্নেহের,কল্যানের।
আমার হৃদয়ে ভরা ছিল তার উপস্থিতি।
প্রতিদিন সকালে ঘুম ভেঙ্গে উঠে
জানতাম সে আছে।
আছে কল্যান কামনায়,আছে আশীর্বাদে।
প্রতিদিন শুনতাম তার দূরাগত
রূগ্ন,ক্ষীন কন্ঠস্বর।
হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে উত্থিত
কিছু কথা। যাকে প্রতিদিন মা ডেকে আমি সম্পূর্ন হতাম।
সে নেই তাই,বিষন্ন প্রহরে সে রেখে গেছে ব্যথাভরা স্মৃতি।
একরাশ মলিন বিষন্নতা।এখন আমার মনে শুধু মা হারানোর ব্যথা।

৯। ভালোবাসা শুধু
ভালোবাসা শুধু গল্পে ও গানে
সেতো নেই কভূ জীবনে,
খুজে তারে কেউ পায়নি কখনো
সে হয়েছে জয়ী মরনে।
‘লাইলী-মজনু’প্রেম কাহিনীতে
শুধু চাওয়া নেই পাওয়া,
আমরন শুধু স্বপ্ন সাজিয়ে
আশাতরী বেয়ে যাওয়া
ভালোবেসে তারা হয়েছে অমর
রয়ে গেছে শুধু স্বরণে
কালকের ফুল হয়ে গেছে বাসি
এ যে শুধু মিছে মায়া,
ভালোলাগাটাই সত্যি বুঝিবা
কায়া নেই আছে ছায়া,শ

তাই সেতো কারো জীবনে নেইতো
রয়েছে মরন বরণে।

১০। হারিয়ে গেছি
হারিয়ে গেছি কোথায় কবে
জানিনা তার কিছু,
হারানো মোর নামটি ধরে
ডেকোনা কেউ পিছু।
এখন আমি আপনমনে
থাকব শুধু একা,
ছড়িয়ে পড়া কাব্যগুলি
পাতায় পাতায় লেখা।
চলতি বায়ূর হঠাত করে
থমকে যাওয়ার মত,
থাকবে কি দুই নয়ন অমন
অবোধ দ্বিধায় নত?
চাওয়া পাওয়ার হিসাবখানি
হলো কখন সারা,
কূল হারানো নদী যেমন
মরূর পথে হারা।
খুজতে তারে গেলে এখন
পাবেনা কেউ আর,
মিলবেনাতো হদিসটুকু
আসল ঠিকানার।

১১। বৈশাখী ঝড়
বৈশাখী ঝড় এলো সহসা
দিগন্ত করে কালো
চারিদিকে বিভীষিকা
আধারে ঢাকল সব আলো।
ভীষন ঝড়ের কোপে
নিয়েছে আশ্রয় সবে ঘরে
মেঘের গর্জন শুনে
হৃদয় উঠছে কেপে ডরে।
বিজলি চমক আর
মাঝে মাঝে বৃষ্টির সাপট
এ কোন অশুভ ক্ষন,
এ কেমন প্রলয দাপট?
মানুষেরা ঘরে বসে
ডাকে শুধু আল্লাহর নাম
ঝড়ের দাপটে ওই কাপে বুঝি
সারা ধরাধাম।
কোথায় পড়ল বাজ
কুড়েঘর খটখট কাপে
চালাটা ভাংলো বুঝি
বাতাসের একরোখা চাপে।
গাছটা পড়ল লুটে
ডালপালা ভেঙ্গে একাকার
কি কোথায় ঘটে গেল
কে জানে হিসাবখানি তার।
এরও বুঝি শেষ আছে
এ ঝড় থামবে অবশেষে,
সকালের সূর্য্যটা
উঠবে আবার ফের হেসে।
ঝড় থেমে গেলে শেষে
ক্ষতিটুকু পড়ে রবে বাকী,
গরীবের ভাগ্যে ঝড়
বয়ে আনে নিষ্ঠুর ফাকি।

১২। যা কিছু পেয়েছি
যা কিছু পেয়েছি তুলনাতো নেই
দুদিনের এই জীবনে
আর বেশী কিছু নেইতোচাওয়ার
এই না রঙের ভূবনে।
পেয়েছি খোলা আকাশখানিরে
আলোভরা আছে যেথা
পেয়েছি মুক্ত দখিনা বাতাস
ভূল হয় কভূ কি তা?
ক্ষুধায় অন্ন পিপাসার জল
পেয়েছি সবই যে জানি
আরোও পেয়েছি ধরার বুকের
অপরূপ ছবি খানি।
সবই পেয়েছি চেয়েছি যা কিছু
পেতে নেই কিছু বাকী
পেয়েছি জীবন এই তনুমন
নেইতো কোথাও ফাকি।
সব পেয়ে আজ ধন্য হয়েছি
সব পেয়েছির দেশে
ধন্য হয়েছি এক জনমের
জীবনকে ভালবেসে।
এই পাওয়া নিয়ে সুখীআজ আমিএই দুনিয়ার ‘পরে,
এর অবশেষে সুখী হতে চাই
মরণের পারাপারে।

বাংলাদেশ সময়: ১৭:৫৩:০১   ১৬৭ বার পঠিত   #  #  #




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

সাহিত্য’র আরও খবর


“রঙ্গে ভরা আমার ব্যাংকিং জীবন”- জালাল উদদীন মাহমুদ
কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে “ইন্টার ইউনিভার্সিটি ইনোভেটিভ আইডিয়া কনটেস্ট-২০১৮ শুরু
জ ন গ ণ - ম,বজলুর রাহমান
নীল পর্দা - ম, বজলুর রাহমান
তখন…পুরাণ ঢাকায় থাকি- ম, বজলুর রাহমান
বাংলায় কচুরিপানা-জালাল উদ্দীন মাহমুদ
নীতির হালচাল- রনজিত চাঙমা (০১/১২/২০১৮ইং)
“রঙ্গে ভরা আমার ব্যাংকিং জীবন “-জালাল উদদীন মাহমুদ
“রঙ্গে ভরা আমার ব্যাংকিং জীবন”- জালাল উদদীন মাহমুদ
কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সপ্তাহব্যাপী নাট্যানুষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হলো নাটক “বীরাঙ্গনা”

আর্কাইভ