“রঙ্গে ভরা আমার ব্যাংকিং জীবন “জালাল উদদীন মাহমুদ

Home Page » বিনোদন » “রঙ্গে ভরা আমার ব্যাংকিং জীবন “জালাল উদদীন মাহমুদ
বুধবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৮



 

জালাল উদদীন মাহমুদ

৩৮ তম কিস্তি—
সেনানিবাস শাখা ,বগুড়া-৬ষ্ঠ পর্ব।

মানলাম না হয় ,গালিগালাজ করলে মন হালকা হয় । কিন্তু কার? গালিগালাজ কারীর। কিন্তু যে গালি শোনে তার? তার উপর এর স্বল্প মেয়াদী প্রভাব তো পড়েই- দীর্ঘ মেয়াদী প্রভাবও পড়ে। নোওয়া পাড়ার শাখা থেকে গালিগালাজ শোনার পর আমি না হয় গালিগালাজ প্রুফ হয়েছিলাম- সবার বেলায় তো এরকম ঘটে না। সবার বেলায় যে এরকম ঘটে না- তার স্বাক্ষীও একদিন পেলাম। সে কথাই এখন বলবো।
একটা সমিতির নামে পিকনিকের আয়োজন করা হয়েছিল গাজীপুরের এক রিসোর্টে। সপরিবারে গিয়েছিলাম। শুনলাম একজন উর্দ্ধতন কর্মকর্তা কয়েক মাস আগে হার্টে বাইপাস সার্জারী করিয়েছেন। তিনিও পিকনিকে এসেছেন। তিনি আমার পূর্ব পরিচিত , বেশ সিনিয়র , স্যার বলে সম্বোধন করতাম । একটি বড় ব্যাংকে তিনি কর্মরত ছিলেন। ব্যাংকের এক গাছতলায় একটা চেয়ারে উনি বসেছিলেন। পাশেই একটা ফাঁকা চেয়ার ছিল। সেখানে গিয়ে আমি উনার পাশে বসলাম। সালাম দিয়ে কুশল জিজ্ঞাসা করলাম। বললেন- আলহামদুলিল্লাহ- এখন ভাল আছি।
আমি জানতে চাইলাম- হঠাৎ এবুপ হবার কারন কি? কিছু কি টের পেয়েছিলেন স্যার ?
হঠাৎ? হঠাৎ নয় জালাল সাহেব। আমার এ সমস্যার শুরু চাকুরীতে যোগদানের পরপরই।
আপনি সদ্য রিটায়ারমেন্টে গেছেন। তাহলে কি দীর্ঘ এত বছর এ সমস্যা পুষে রেখেছিলেন?
-সে অনেক কথা। আপনি যদি শুনতে চান তাহলে গোড়া থেকেই শুরু করতে হবে। দেখলাম উনি শীতের দুপুরে গাছ তলায় বসে আজ এ অখন্ড অবসরে উনার মনের কথা আমাকে শেয়ার করতে চান। আমারও হাতে সময় আছে। আর শ্রোতা হিসাবে আমি খারাপও না। সেই যে পড়েছিলাম- Good Listing is a Art. তারপর থেকে আমি সারাজীবন Good Listener হয়ে এ Art-টা রপ্ত করার চেষ্টা করেছি। বস সামলানোর সেরা ১০টি উপায় যদি আমাকে লিখতে দেয়া হয় তবে আমি তার মধ্যে Good Listener হবার পরামর্শ রাখবো।
ভুলে যেতে হবে আপনি কি বলতে যাচ্ছিলেন। অন্যরা কি বলছে সেটা শোনা নিশ্চিত করতে হবে। মানুষের কেন দুইটা কান কিন্তু একটা মুখ তা বুঝতে হবে।যা বলবেন শুনবেন তার দ্বিগুন। ভাবনা ছিন্ন হলো- তার কাশিতে। মনে হলো একটা বড় ঘটনার বর্ণনা শুরুর আগে স্যার গলা পরিষ্কার করে নিলেন। একটু নড়ে-চড়েও বসলেন বোধ হয় । আমিও চেয়ারের হাতলে কনুই রেখে গালে হাত দিয়ে Good Listener হবার প্রত্যাশায় তার মুখের দিকে তাকালাম। উনি শুরু করলেন। আজ থেকে ৩৪ বছর আগে আমি যখন আমার ব্যাংকের হেড অফিসে যোগদান করি তখন আমার এলাকার পরিচিত কেউতো ছিলইনা - ছাত্র জীবনেরও পরিচিত কেউ ছিলনা। অবশ্য আমি খোঁজার চেষ্টাও করিনি। পশ্চাদপর এলাকা থেকে আসলে যা হয় আর কি? কিভাবে কিভাবে জানিনা , শুরুর কথা আমার অার মনেও নাই ,কিছু দিনের মধ্যে সবাই আমাকে কেমন করে জানিনা পেয়ে বসলো । কেউ কোন ভুল করলে বসের কাছে যেয়ে তারা নিজের দোষ ঢাকার জন্য আমাকে দোষারোপ করে আসতে লাগলো। এভাবে তারা পারও পাচ্ছিল। দুর্বলের সহায়ক কিছু ব্যক্তি সব স্থানেই থাকে। সেখানেও ছিল। কিন্তু তাদের পরামর্শ মোতাবেক অকারনে আরোপিত দোষ অস্বীকার না করাই-আমার দুর্গতি দিনদিন বেড়েই যাচ্ছিল। তিনি দেখলাম বেশ সাহিত্যের ভাষায় কথা বলতে পারেন। হয়তো কবি স্বভাবের ছিলেন। জানতাম মনটাও তার নরম । যা হোক তার বিষয়টি আমি স্পস্ট বুঝতে পারছিলাম না। কাহিনী লম্বা হয়ে যাচ্ছে দেখে আমি জিজ্ঞাসা করেই বসলাম- স্যার ,এগুলোর সাথে আপনার ওপেন হার্ট সার্জারীর কি সম্পর্ক?
সম্পর্ক আছে আছে । আচ্ছা উদাহরণ দেই। তাহলেই বুঝতে পারবেন। উদাহরণ দিলেন। শুনলাম। অনেক দিন পর আজ সে সব কথা লেখার সময় দৃশ্যটা নিম্নভাবে কল্পনা করলাম-তার নিজস্ব জবানীতেই।
সদ্য যোগদান কারী আমি । কাজ-টাজ শেখার চেষ্টা করছি। তো একদিন পিওন এসে টেবিলের সামনে দাঁড়ালো। জানালো- ডিজিএম স্যার সালাম দিয়েছেন। অনুমতি নিয়ে রুমে ঢুকতেই ডিজিএম স্যার কর্কশ গলায় বলে উঠলেন-
-আপনার নাম—?
-জ্বি স্যার।
-বাড়ী —–তে?
-জ্বি স্যার।
-লেখাপড়া কোথায় করেছেন?
-স্থানীয় কলেজে।
-তাই তো বলি। এ ফাইলের এ নোট নাকি আপনি লিখেছেন? এটা একটা লেখার ধরন হলো? আগে পড়বেন, ভাল করে দেখবেন তারপরে সব বুঝবেন, প্রয়োজনে অন্যের সাহায্য নিবেন তারপর লিখবেন, যান। যতসব । আমি মুখ কাচুঁমাচুঁ করে বার কয়েক সালাম দিয়ে বের হয়ে আসলাম। আসতেই আমার চেয়ে এক গ্রেড সিনিয়র এক ভাই কাছে এসে বললো- ছোট ভাই, স্যার কি খুব বকেছেন? মনে কিছু করবেন না ভাই। বসেন , এক কাপ চা খান। চা খেতে খেতে বললাম- আমি তো কিছুই বুঝলাম না। এ ফাইল সম্পর্কে তো আমি কিছুই জানিনা।
সিনিয়র ভাই বললেন তা ঠিক, তা ঠিক। কাজটা আমিই ভুল করেছি। ডিজিএম স্যার যখন জিজ্ঞেস করলেন এ নোট কে রেডী করেছে, তখন আমি নিজে বাচাঁর জন্য আপনার নাম বলে ফেলেছি। জানি, আপনি খুব ভালো মানুষ। বোঝেনই তো সামনে আমার প্রমোশন। এসময় স্যারের কাছে তো আমি আমার ইমেজ খারাপ করতে পারি না। আমাকে তো আবার কর্মকর্তা সংসদের কাজেও ব্যস্ত থাকতে হয়। বেশী সময় পাই না। তাই ভুল-ভাল হয় আরকি। এরুপ হলে আমি যদি আপনার নাম বলি আপনি একটু ডিজিএম স্যারকে ফেস করবেন্। আপনাকে কিছুই করতে হবে না। শুধু স্যারের সামনে একটু দাঁড়াবেন।
আমি বললাম-শুধু দাঁড়ালেই হবে? কিছু বলতে বা করতে হবে না? সিনিয়র ভাই ফিক করে হাসলেন। বললেন মনে করেন ঢাকা শহরে কোন ছিনতাইকারী যদি আপনাকে ধরে আপনাকে কি কিছু করতে হবে? কিছুই করতে হবে না। যা করার ছিনতাইকারীই করবে। সে রকমই আপনি শুধু স্যারের সামনে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকবেন। মনে রাখবেন, এ স্যার প্রতিউত্তর দেয়া পছন্দ করেন না। তাই ভুলেও আপনি কোন উত্তর দিতে যাবেন না।
এরপর আমার রুটিন ওয়ার্ক হয়ে গেল সিনিয়র ভাইয়ের প্রক্স্রি দেয়া। তবে উনি একটা সত্য কথা বলেছেন। ডিজিএম স্যার আমার কাছে তেমন কিছুই শুনতে চাইতেন না। প্রথম দিকে শুধু নিরামিষ গালিগালাজ করতেন। পরের দিকে যখন আমিষ যুক্ত হলো তখন আমি সিনিয়র ভাইকে বললাম- আর তো সহ্য করতে পারিনা। এত গালিগালাজ শুনে রাতে তো ভালো ঘুমও হয় না। সিনিয়র ভাই ডিজিএম স্যারের স্ত্রীর প্রতি ইঙ্গিত করে বললেন, ম্যাডাম নাকি সারাক্ষণ বাসায় খালি বকেই চলে, স্যারকে কিছু বলতে দেয় না। তাই স্যার একটু অফিসে বকাঝকা করেন। চাকুরী করতে হলে এসব একটু মানিয়ে চলতে হয়। বুঝলেন নাকি ? বোঝার আর কি বাকী আছে ? পরবর্তীতে দেখি সিনিয়র এ ভাই ছাড়া অন্য ভাই বা স্যারদের ফাইলে কিছু ভুল থাকলে তারাও আমাকে ডিজিএম স্যারের নিকট পাঠাতে শুরু  করলেন ।  সবাই একজোট হয়ে আমাকে জানালো যে, আমার চেহারার মধ্যে নাকি এমন কিছু আছে যে আমাকে গালি দিতে মজা লাগে। হয়তো কথাটা সত্য। কারন কিছুদিন পর ডিজিএম স্যার মাঝে-মধ্যে বিনা কারনেই তার চেম্বারে নিয়ে গিয়ে আমাকে গালি-গালাজ করতে লাগলেন। আমি কিছু আর মনে করতাম না। ততদিনে মাইন্ড করাও আমি ছেড়ে দিয়েছি । তবে রাতে ঘুম কম হতো-এই যা।

একদিন আমি অফিসে একটু আগেই এসেছি। দেখি ডিজিএম সাহেব তারও আগে এসেছেন। পিওন জানালো স্যার নাকি আমাকে তাড়াতাড়ি দেখা করতে বলেছেন। সালাম দিয়ে স্যারের রুমে ঢুকলাম। স্যার আজ সুন্দরভাবে সালামের উত্তর দিলেন। বসতে বললেন। পিওন ডেকে চা-বিস্কুটও খাওয়াতে বললেন।আমি তো অবাক হচ্ছি। আজ হয়তো কপালে অনেক দুঃখ আছে। এত অপ্রত্যাশিত সমাদর আমার মনে ভয় ধরিয়ে দিল। চা-পর্ব শেষ হলে স্যার বললেন- আপনাকে একটু জি,এম সাহেবের কাছে যেতে হবে। স্যার যা বলবেন চুপচাপ শুধু হ্যাঁ,হ্যা করে যাবেন। আপনি যে তর্কে জড়াবেন না, সে তো আমি জানিই। বেশী হলে হাত জোড় করে বলবেন, ভুল হয়ে গেছে স্যার, জীবনে এরুপ ভুল আর হবেনা। তারপর উনি টেলিফোনটা তুলে জি,এম স্যারকে বললেন- স্যার যে অফিসারটা ভুল করেছিল,তাকে আপনার কাছে পাঠাতে বলেছিলেন স্যার। এখন কি পাঠাবো স্যার। স্যার মনে হয় পাঠাতে বললেন। উনি উনার পিওনকে বললেন ইনাকে আমাদের জি,এম স্যারের নিকট নিয়ে যাও। চেম্বারে গেলাম। দেখা করেও এলাম। আবার কপালে জুটলো অন্তহীন বকাবকি। সীটে এসে বসলাম। এবার ডিজিএম স্যারই আমার কাছে এসে জানালো, জি,এম স্যারের রাগ পড়ে গেছে। আপনাকে ধন্যবাদ। তার এ ধন্যবাদ আমি বহুবার পেয়েছিলাম, একই কারনে।
কিছুদিন পর নতুন উৎপাত শুরু হলো। ডিজিএম স্যারের ব্যাচমেটরাও আমার এ সহ্য ক্ষমতার কথা জেনে গেলেন। মাঝে-মধ্যে সেখানেও এই একই কাজে প্রক্সি দেবার জন্য ডি জি এম স্যার পাঠাতে লাগলেন। পুরস্কার অবশ্য পেলাম। বছর শেষে সবাই আমাকে অনেক ক্যালেন্ডার দিতে লাগলো। আমার ও আমার আত্নীয় স্বজনদের ঘর ক্যালেন্ডারে ক্যালেন্ডারে ভরে উঠতে লাগলো। নিয়মিত আমার প্রমেশন হতেও থাকলো বটে, তবে সাথে সাথে গালিগালাজ দেবার কর্তৃপক্ষও বদল হতে থাকলো। আমাদের ব্যাংক ছেড়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এমনকি মন্ত্রনালয়েও মাঝে মাঝে যেতে হলো। আমার নামের সাথে ভালভাল গুনাবলীই যুক্ত হতে থাকলো। এই যেমন -আমি চুপচাপ থেকে মুখ বন্ধ রেখে ম্যানেজ করতে পারি ভাল। আমার কোন রাগ নাই। প্রচন্ড সহ্য ক্ষমতা । এত সব গুণাবলীর কারণে নতুন নতুন বড়বড় স্যারদের কাছে আমার কদর বাড়তেই থাকলো। অন্য ডিপার্টমেন্টে বদলী হলো , গালিগালাজের ধরন ও ভাষা পাল্টালো । ভার্সন পাল্টালো। সবকিছু গা-সওয়াও হয়ে গেল । সমস্যা একটাই –যেদিন গালিগালাজ শুনতাম সেদিন তো বটেই তার পরেও ২/৩ দিন আমার ঘুম হতো না। একবার শাখা অফিসেও বদলী হয়েছিলাম । লাভ হয়নি জোনাল হেডও আমার গুণাবলী টের পেয়েছিলেন। স্যার হয়তো আজ আরো কিছু মনের অব্যক্ত কথা বলতেন। কিন্তু পিকনিক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নামাজ শেষ করে খাবার সারিতে বসার জন্য আহবান জানানো হলো। স্যার বললেন- আগে নামায পড়ি চলেন। চললাম। মসজিদা একটু দুরে। যেত যেতে স্যার বললেন- জালাল সাহেব, আপনাকে সব ঘটনা বলতে পারলাম না। যেটুকু বললাম তাতেই হয়তো আমার হৃদরোগের কিছুটা কারন বুঝতে পারবেন।
আমি বললাম- স্যার আমি সব বুঝতে পেরেছি। যে গালি শোনে তার উপর গালাগালির কি প্রভাব পড়ে সে নিয়ে তো কারো মাথাব্যথা নাই।
-মাথা থাকলে তো মাথা ব্যথা হবে ? কেউ কি একবারও চিন্তা করেছে সব জায়গাতেই আমি ভুল করি , তার মানে সব কাজ আমিই করি কিন্তু আমি একাই এত সব কাজ করি কেমনে? হঠাৎ স্যার উত্তেজিত হয়ে উঠলেন। আমি সান্ত্বনা দেবার ভঙ্গিতে মাথা দুলিয়ে বললাম- তা ঠিক , তা ঠিক।
মসজিদের কাছে পৌঁছে গেছি। অযুর স্থানের দিকে যেতে যেতে স্যার বললেন-মনে কিছু নিবেন না। আজ আপনাকে অনেক কথা খুলে বলতে পেরে আমারও হাল্কা লাগছে। আজকাল কেউতো কিছু শুনতে চায় না।
সেদিন পিকনিক শেষে বাসায় ফিরতে ফিরতে আমারও মনে হল আসলেই আজকাল কেউ কিছু শুনতে চায় না। সবাই শুধু বলতে চায় । দিন দিন শ্রোতার সংখ্যা কমেই যাচ্ছে। (ক্রমশঃ)

বাংলাদেশ সময়: ২১:৪৪:৪০   ৪৫ বার পঠিত   #  #  #  #  #  #




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

বিনোদন’র আরও খবর


কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে “ইন্টার ইউনিভার্সিটি ইনোভেটিভ আইডিয়া কনটেস্ট-২০১৮ শুরু
জ ন গ ণ - ম,বজলুর রাহমান
নীল পর্দা - ম, বজলুর রাহমান
কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত দিন ব্যাপী নাট্য উৎসবের বর্ণাঢ্য সমাপ্তি
দীপিকার বিয়ের শাড়ি তৈরি করতে কত সময় লেগেছে!
তখন…পুরাণ ঢাকায় থাকি- ম, বজলুর রাহমান
বাংলায় কচুরিপানা-জালাল উদ্দীন মাহমুদ
সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে লোক উৎসবে আইলাম্বর মঞ্চস্থ করেছে হাপাধা
নীতির হালচাল- রনজিত চাঙমা (০১/১২/২০১৮ইং)
ঢাকার সাভারে আত্মপ্রকাশ করলো আবৃত্তি সংগঠন ‘স্বপ্নস্বর’,আয়োজন ছিল এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের

আর্কাইভ