“রঙে ভরা আমার ব্যাংকিং জীবন “-জালাল উদদীন মাহমুদ এর ৭৪তম পর্ব

Home Page » বিনোদন » “রঙে ভরা আমার ব্যাংকিং জীবন “-জালাল উদদীন মাহমুদ এর ৭৪তম পর্ব
সোমবার, ২৮ জানুয়ারী ২০১৯



 

জালাল উদদীন মাহমুদ

৭৪তম পর্ব–
ডেমাজানি শাখা ,বগুড়া -৩৩ ,ড্রামা-বিভ্রাট (৩ -শেষ)

অডিটোরিয়ামের দিকে রওনা দিতেই মাথায় একটার পর একটা দুশ্চিন্তা ভর করতে লাগলো । আচ্ছা স্যার গলার আঘাতের জন্য যদি আজ আর অভিনয় করতে না পারে তবে কি নাটক বন্ধ হয়ে যাবে ? এত আয়োজন –তার কি হবে ? বিকল্পও তো কেউ নেই। রাতে কি স্যারের বাসায় আমার দেখা করতে যাওয়া উচিৎ ছিল? আর স্যারের সাথে আজ দেখা হলে প্রথমে কি বলব ? উহ্ ! আর ভাবতে পারছি না ।

আকাশের দিকে তাকালাম । দেখলাম সাদা সাদা মেঘ ভেসে যাচ্ছে। আকাশের মেঘের দিকে মনোনিবেশ করলাম । অনেকক্ষণ ধরে তাদের ভেসে যাওয়া দেখলাম। এমন সময় মনের মধ্যে কেন জানি না পজেটিভ কিছু চেতনা আসলো। প্রথমেই চিন্তা করলাম আমি যে দুঃশ্চিন্তাগুলি করছি এ গুলি কতটা বাস্তবসম্মত? স্যারকে তো আমি নিজে কাল কষ্ট করে হলেও হেঁটে যেতে দেখেছি। দ্বিতীয়তঃ চিন্তা করলাম আমি যে সব দুঃশ্চিন্তা করছি সেগুলিই যে বাস্তবে ঘটবেই এমন গ্যারান্টি আমাকে কে দিয়েছে? কেহই দেয় নাই ,এখনও তো এসব কিছুই ঘটে নাই। এর পর চিন্তা করলাম যদি খারাপ কিছু ঘটেই তাহলে সর্বোচ্চ আমার কি শাস্তি হতে পারে ? শাস্তি হবে কেন ? আমি তো ইচ্ছা করে কিছু করি নাই। সাহস দিল রবীন্দ্র নাথ-
”ওরে ভীরু, তোমার হাতে নাই ভূবনের ভার।
হালের কাছে মাঝি আছে, করবে তরী পার ॥
তুফান যদি এসে থাকে তোমার কিসের দায়–
চেয়ে দেখো ঢেউয়ের খেলা, কাজ কি ভাবনায়? “
এবার ভাবনার মোড় ঘুরালাম। শুধু দুটি চিন্তা হাতে থাকলো-
সত্যিই যদি সম্ভাব্য খারাপ কিছু ঘটে, তবে আমি কিভাবে সে সব সামলাব? তখন আমি কি কি করব ঐ খারাপ পরিস্থিতিকে সামলানোর জন্য?

ততোক্ষণে রিকশা অডিটেরিয়ামের বাহিরের গেটে পৌঁছে গেছে । রিকশা থেকে নামলাম। মুল গেটের দিকে হাঁটা শুরু করলাম । বাবা বলতেন যত মুশকিল, তত আসান । সেটা স্মরণ করে ঢুকে পড়লাম সোজা অডিটোরিয়ামে ।

দরজা থেকেই তাকিয়ে দেখতে পেলাম স্যার অডিটোরিয়ামে এসে সবাইকে নির্দেশনা দিচ্ছেন। মনে হল স্যারের মেজাজ বেশ ফুরফুরে । মিতা বিড়ি ফ্যাক্টরীর মালিকও উপস্থিত আছেন। তিনি এক ফাঁকে আমাকে বললেন- ডাক্তার স্যারকে ক্লোফেনাক পেইন কিলার দিয়েছে। আজ সকাল থেকে তিনি আগের মতই স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারছেন। আপনি কোনও চিন্তা করবেন না। স্যার আমাকে বলেছেন- জালাল তো অনেক ভালো ছেলে। একটু লাজুক আর কি। ওর লজ্জা আর সংকোচ ভাংগাতেই আমি জোরে ধমক দিয়েছিলাম । এভাবে ওসময় সবার সামনে বিশেষ করে মহিলাদের সামনে অত জোরে ধমক দেয়া আমারো উচিৎ হয় নাই। ও ভড়কে গিয়ে জোরে টান দিয়েছে। তার কথা আমার বিশ্বাস হলো , কারন স্যার একটু আগে আমার দিকে এমনভাবে তাকালো যেন কিছুই হয় নাই। আমি ছালাম দিলাম , স্যার ব্যস্থতার মাঝেও ভালভাবেই ছালামের জবাব দিলেন। মনটা আমার খানিকটা হাল্কা হয়ে গেল। কিন্তু তখনও আমার চেহারায় বোধ হয় উদ্বিগ্নতার ছাপ ছিল। কারন নাটকের প্রধান মহিলা চরিত্রের অভিনেত্রী আমাদের চেয়ে সিনিয়র আপা আমাকে কাছে ডেকে বললেন আপনি মনে হয় ভয়ের মধ্যে আছেন ? এ আপাও কাল আমার অপারগতাকে ধিক্কার জানানোর কাতারে শামিল হয়েছিলেন। নাটকে তার সাথেও আমার ঝামেলা ছিল । আগেই বলেছি নাটকে আমি একটি মন্দ চরিত্রের লোক । এ আপাকে নাটকে আমি একটা কাজ জুটিয়ে দেই। তার বিনিময়ে সারাদিন খালি তাকে কুপ্রস্তাব দিতে হতো নাটকের প্রয়োজনে। প্রথম প্রথম খারাপ লাগলেও যেহেতু ডায়ালগগুলি বলা ছাড়া আর কিছু ছিল না, তাই এগুলি মেনে নিতে তেমন কষ্ট হয় নাই। আপা এখন জিজ্ঞাসা করছেন ভয়ের মধ্যে আছি কি-না। আমি উত্তর দিতে যাব এমন সময় পাশে হঠাৎ উপস্থিত একজন ভদ্রলোক বলে উঠলেন-
-ভয় নয় উনি উদ্বিগ্নতার মধ্যে আছেন।
-ঐ একই কথা। আপা আগন্তক ভদ্রলোকের দিকে তাকিয়ে ভ্রকুঞ্চিত করে বললেন । মনে হয় আপা তাকে চিনতে পারলেন না। আমিও চিনলাম না।
-না এক নয়। দুটোর মধ্যে পার্থক্য আছে ।
- কি এমন পার্থক্য ? আপা অনেকটা তাচ্ছিল্যের সুরে বললেন।
- আছে . তবে আজ নয় আর একদিন আমি সুযোগ পেলে না হয় বলবো।
- না আজকেই বলেন। এখনতো অভিনেতা-অভিনেত্রীর কোন কাজ নাই। এ জি এম স্যার ম্যানেজমেন্টের কাজ করছেন। উনি না ডাকা পর্যন্ত আমরা ফ্রি। আপা বললেন। আমি অবশ্য নিরুত্তুর থাকলাম। কারন তখন কেন জানি না আমার অকারণেই সব কিছুর উপর বিরক্ত বোধ হচ্ছিল। ও দিকে ঘাড় ব্যথা ও বুক ধড়পড় করাও শুরু হয়েছে। মাথার ভেতর হালকা হালকা লাগছে । পিপাসাও লাগছিল বারবার। এ সব প্যাচাল আমার কাছে তখন অর্থহীন মনে হচ্ছিল । তবু তারা সিনিয়র তাই অনিচ্ছা সত্বেও আমাকে শোনাউল্লাহ হয়েই থাকতে হলো।
-শোনেন তাহলে । ভদ্রলোক বলা শুরু করলন। কেউ যদি মনে করে সামনেই তার বিপদ ঘনিয়ে আসছে বা তার ভাগ্যে খারাপ কিছু ঘটতে যাচ্ছে। এ সময় তার কিছু মানসিক ও শারীরিক পরিবর্তন হয় –এ গুলোকেই আমরা উদ্বেগ বা ইংরেজিতে Anxiety বলি।
-তাহলে ভয় আর উদ্বেগের মধ্যে পার্থক্য কি? আপা জানতে চাইলেন। নতুন জিনিস জানার প্রতি আমার আগ্রহ চিরন্তন। তাই এবার আমিও দু কান খাড়া করলাম ।
-ভয় এবং উদ্বেগের পার্থক্য হচ্ছে ভয় নির্দিষ্ট একটি চেনা পরিবেশ বা বস্তুর প্রতি হঠাৎ সতর্ক হয়ে যাওয়া আর উদ্বেগ হচ্ছে অচেনা কিন্তু মনের ভেতরে কোনকিছু ক্রিয়াশীল থেকে অনির্দিষ্টভাবে সতর্ক হওয়ার এক প্রকার অনুভূতি।
-যদি উদাহরণ দিয়ে একটু বুঝিয়ে বলতেন । এবার আমি বললাম।
- চলন্ত গাড়ির সামনে পড়লে যে অনুভূতি তৈরি হয় তা হচ্ছে ভয় আর এই যে অপনার এখন মনে হচ্ছে নাটকে আজ আমি ভাল অভিনয় করতে পারব কিনা । বস আমার উপর কোন ক্ষোভ পুষিয়ে রেখেছেন কিনা , তিনি আপনাকে এজন্য বদলী করে দিবেন কিনা –এসব হচ্ছে উদ্বিগ্নতা। এসব কারনে আপনার মনে ও শরীরে কিন্তু নানা উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। আপনি নিজেই তা টের পাচ্ছেন , আমি সে সবের আর উদাহরন দিবনা। আমিও আপনার চেহারা দেখেই বুঝতে পারছি তাই আপনার উদ্বেগ প্রশমিত করার জন্যই উপযাচক হয়ে এত কিছু বললাম।
আমি আর আপা উনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রায় একই সাথে বলে উঠলাম –আপনার পরিচয় তো পেলাম না।
- আমি আপনাদের জোনাল হেড স্যারের বন্ধু। একটা কলেজের শিক্ষক। সাইকোলজি পড়াই। আজ নাটক দেখতে এসেছি –তার আমন্ত্রণে। কাল রাতে একসাথেই ছিলাম আমরা। আপনার এ কাহিনী আমি শুনেছি। আপনি যেন নাটকে খারাপ না করেন সেজন্য আজ আপনার স্যার আমাকে কাউন্সিলিং করতে বলেছেন। আমি সকালে এসে আপনাকে খুঁজেছি। একজন আপনাকে দেখিয়ে দিল তাই কথা বলতে এগিয়ে এলাম। আপনি নিশ্চিত থাকেন ,আপনার স্যার এজন্য আপনার উপর বিন্দুমাত্র মনক্ষুন্ন হন নাই।
- স্যার আপনাকে বলতে বলেছেন যে আজ আর গামছা ধরে টান দিতে হবে না । ভদ্রলোকের সাথে সুর মিলিয়ে আপা বলা শুরু করলেন। আপনি গামছা ধরতেই উনি স্টেজে শুয়ে যাবেন। আর আপনাকে এ নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে মানা করেছেন। আপনার কোন ক্ষতি হবে না, স্যার বারবার বলেছেন আর আমিও দায়িত্ব নিচ্ছি। আর একটা কথা জালাল সাহেব – আমার সামনে সংলাপ বলতে আপনি আরো ফ্রি হবেন। আপনি কিন্তু তা হন না । এজন্য স্যারের পাশাপাশি কাল আপনার উপর আমারও রাগ হয়েছিল। চলেন উঠি –ঐ দেখেন স্যার আমাদের ডাকছেন। আপা স্যারের দিকে ইঙ্গিত করে দেখালেন। ভদ্রলোকের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আমি আপার সাথে কথা বলতে বলতে স্টেজের দিকে পা বাড়ালাম। মনে হল এত দিনেও যে জড়তা কাটে নাই, সিনিয়র আপার মুখের দুটো কথাতেই তা কেটে গেল। মনের মাঝে গুনগুন করে উঠলো -
”সঙ্কোচেরও বিহ্বলতায় নিজেরই অপমান
সংকটেরও কল্পনাতে হয়োনা ম্রিয়মান
মুক্ত কর ভয়…
আপনা মাঝে শক্তি ধর নিজেরে কর জয় …।”
নাটক শুরুর আগ দিয়ে একজন আমার হাতে একটা চিরকুট ধরিয়ে দিল । তাতে লেখা দেখলাম- Try to keep calm and relax. Do breathing exercises or meditate before going on stage . মনে হল উপযাচক হয়ে কথা বলা ঐ ভদ্রলোকই এটি পাঠায়েছেন। তার এ মহান তৎপরতার কথা মনে হতেই সব উদ্বিগ্নতা মন থেকে উড়ে গিয়ে আমার মনটা একদম হাল্কা হয়ে গেল।

মন-প্রাণ দিয়ে অভিনয় করলাম। ফাইনালি আমার আর গামছাতে টান দিতে হলো না। গামছা ধরতেই স্যার শুয়ে গেলেন। চড়-থাপড়ের মাত্রা বোধ হয় ঠিকই ছিল। তবে ঐ পশ্চাৎদেশে মারা লাথিটা বোধ হয় এবার জোরে হয়ে গেল। বুকের উপর পা তুলে পা টা শূণ্যতেই রাখতেই সক্ষম হলাম। সিনিয়র আপাকে কু প্রস্তাব দিতে আগে যেমন কুণ্ঠিত থাকতাম –এদিন তাও আর থাকল না। তিনি আগেই আমাকে ফ্রি করে দিয়েছিলেন। নাটক শেষে সবাই আমার অভিনয়ের প্রশংসা করতে লাগলো, জোনাল হেড স্যারের অভিনয় ছিল আরো মনকাড়া । কিন্তু জোনাল হেড স্যার নির্ধারন করে দিলেন শ্রেষ্ঠ অভিনেতা তিনি নন, এমন কি আমিও নই, অন্য একজন । আমরা সবাই তো ব্যলান্স করে চলি। আজ মনে হচ্ছে তিনিও শ্রেষ্ঠ অভিনেতা নির্বাচনে বোধহয় ব্যলান্স করেছিলেন সেদিন।
অবশ্য বিষয়টি নিয়ে ভাবার সময়ও তখন আমার ছিল না। আঘাতপ্রাপ্ত জোনাল হেডের নাটক পরবর্তী প্রতিক্রিয়া নিয়েই আবর্তিত হচ্ছিল আমার চিন্তাধারা।

ঘটনার বছর পনের পরেও স্যারের সাথে আমার ঢাকায় দেখা হয়েছিল। আমি তখন বগুড়া থেকে বদলী হয়ে ঢাকায় । সেদিন স্যারের সাথে অনেক কথা হয়েছিল। উনি তার সদ্য জন্ম নেয়া নাতির অনেক গল্প করলেন। কিন্তু নাটকের ঐ সব কাহিনী তুললেন না। বগুড়া থাকাকালীনও কোনও দিন ঐ প্রসঙ্গ আর তোলেন নাই। এ ঘটনার জন্য তিনি আমার প্রতি যে বিরুপ হয়েছিলেন- তার কোন প্রমানও আমি অবশ্য পাই নাই।
তবে আমি নিজেই নিজের প্রতি বিরুপ হয়েছিলাম। অভিনয়ের পথে আর কখনো পা বাড়াই নাই।

আজ ভাবছি আমার অভিনয় সংশ্লিষ্টতা পেশাগত জীবনে মনে হয় কিছুটা কাজ দিয়েছিল । অগ্রণী ব্যাংকে অনলাইন বাস্তবায়নকালীন আমাকে সারা দেশে শত শত ট্রেনিং ক্লাশ পরিচালনা করতে হয়েছে। যারা আমার ক্লাশে ছিলেন তারা সবাই জানেন কথা বলার সময় আমি খানিকটা অভিনয় খানিকটা হাস্যরস মিশিয়ে কিছুটা নাটকীয়তার আশ্রয় নিতাম। এতে প্রশিক্ষনার্থীদের অন্য কি লাভ হয়েছে জানি না তবে আমার ক্লাশে কখনও কাউকে ঘুমাতে দেখিনাই , সারা দিনমান লেকচার শুনেও কাউকে ক্লান্ত হতেও দেখি নাই।

মহান হৃদয়ের সে জোনাল হেড স্যারকে যে আজ একটু ধন্যবাদ জানাব সে সুযোগ আর নেই। তিনি এখন আমাদের ধোরাছোঁয়ার অনেক বাহিরে। আরো যাদের সাথে কাজ করেছি তাদের অনেকেই ধোরাছোঁয়ার বাহিরে চলে গেছেন , যাচ্ছেন ,যাবেনও । আমাদের “জীবনের রোজকেয়ামত ভাবিতেছি কত দূর।” আসুন দু হাত জোড় করে মোনাজাত করি - দোয়া মাঙি- “আয় খোদা! রহমান। ভেস্ত নসিব করিও সকল মৃত্যু -ব্যথিত -প্রাণ। “(ক্রমশঃ)

বাংলাদেশ সময়: ২১:৩৩:৪১   ৯৪ বার পঠিত   #  #  #  #  #  #




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

বিনোদন’র আরও খবর


ধর্ষণের মহোৎসব : রনজিত চাঙমা (১৯/৪/২০১৯ইং)
মার্কিন সাময়িকী টাইমের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় মাহাথির, ইমরান ও জেসিন্ডা
আম্র-পালী আমের নামকরণের ইতিহাস -১১ ( বিম্বিসার ও আম্র-পালীর প্রেম –কাহিনী-৪):জালাল উদদীন মাহমুদ
ভারতের অমিত রায়ের সাথে প্রিমা
নির্বাচনী রোডশোতে অংশ নেয়ায় ভারতীয় ভিসা বাতিল ফেরদৌসের,ঢাকায় পৌঁছেছেন তিনি
আম্র-পালী আমের নামকরণের ইতিহাস -১০( বিম্বিসার ও আম্রপালীর প্রেম –কাহিনী-৩) :জালাল উদদীন মাহমুদ
নূসরাত, মাগো ক্ষমা করো -ইফতেখার আলম
জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী সুবীর নন্দী অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি
যৌন হেনস্তা নিয়ে এই প্রথম মুখ খুললেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া
আজ চৈত্র সংক্রান্তি

আর্কাইভ