<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/cloud/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	>

<channel>
	<title>বঙ্গ-নিউজ bongo-news</title>
	<link>https://www.bongo-news.com</link>
	<description>News is Knowledge</description>
	<pubDate>Wed, 08 Apr 2026 04:42:25 +0000</pubDate>
	<generator>http://dotsilicon.com?v=20</generator>
	<language>en</language>
			<item>
		<title>শর্ত সাপেক্ষে যুদ্ধবিরতির পর হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে রাজি ইরান</title>
		<link>https://www.bongo-news.com/72714</link>
		<comments>https://www.bongo-news.com/72714#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 08 Apr 2026 04:39:23 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[প্রথমপাতা]]></category>

		<category><![CDATA[বিশ্ব]]></category>

		<category><![CDATA[সংবাদ শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[ইরান-যুক্তরাষ্ট্রে]]></category>

		<category><![CDATA[যুদ্ধ]]></category>

		<category><![CDATA[যুদ্ধবিরতি]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-news.com/72714</guid>
		<description><![CDATA[ 
ইরানের ওপর হামলা বন্ধ করা হলে নিজেদের প্রতিরোধমূলক সামরিক অভিযান স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক বিবৃতিতে একথা জানান।
তিনি বলেন, যদি ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণ বন্ধ করা হয়, তবে আমাদের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীও তাদের প্রতিরোধমূলক অভিযান বন্ধ করবে।
একইসঙ্গে বৈশ্বিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালী নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ইরান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগামী ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p> <img src="https://www.bongo-news.com/cloud/archives/2026/04/bongo-newshormuz1-thumbnail.jpg" alt="হরমুজ প্রণালি" /></p>
<p>ইরানের ওপর হামলা বন্ধ করা হলে নিজেদের প্রতিরোধমূলক সামরিক অভিযান স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক বিবৃতিতে একথা জানান।</p>
<p>তিনি বলেন, যদি ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণ বন্ধ করা হয়, তবে আমাদের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীও তাদের প্রতিরোধমূলক অভিযান বন্ধ করবে।</p>
<p>একইসঙ্গে বৈশ্বিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালী নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ইরান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগামী দুই সপ্তাহের জন্য হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ যাতায়াত সম্ভব হবে। তবে এ ক্ষেত্রে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে যথাযথ সমন্বয় করতে হবে এবং কারিগরি সীমাবদ্ধতাগুলো বিবেচনায় রাখতে হবে।</p>
<p>উল্লেখ্য, পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের এই সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির প্রক্রিয়ার মধ্যেই ইরানের পক্ষ থেকে এই ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেল।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-news.com/72714/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>ট্রাম্প অসুস্থ ও উন্মাদ-এনএএসিপি প্রেসিডেন্ট</title>
		<link>https://www.bongo-news.com/72709</link>
		<comments>https://www.bongo-news.com/72709#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 08 Apr 2026 04:15:57 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[প্রথমপাতা]]></category>

		<category><![CDATA[বিশ্ব]]></category>

		<category><![CDATA[সংবাদ শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[ডোনাল্ড ট্রাম্প]]></category>

		<category><![CDATA[নাগরিক অধিকার সংগঠন]]></category>

		<category><![CDATA[মার্কিন প্রেসিডেন্ট]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-news.com/72709</guid>
		<description><![CDATA[ 
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিশংসন ও ২৫তম সংশোধনীর আওতায় অবিলম্বে ক্ষমতাচ্যুত করার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার সংগঠন এনএএসিপি। ১৯০৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ ইতিহাসে এই প্রথম কোনো ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে এমন কঠোর অবস্থান নিয়েছে সংগঠনটি।
বুধবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
এনএএসিপির প্রেসিডেন্ট ডেরিক জনসন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই প্রেসিডেন্ট অযোগ্য, ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p> <img src="https://www.bongo-news.com/cloud/archives/2026/04/bongo-newstrump21-thumbnail.jpg" alt="মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প" /></p>
<p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিশংসন ও ২৫তম সংশোধনীর আওতায় অবিলম্বে ক্ষমতাচ্যুত করার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার সংগঠন এনএএসিপি। ১৯০৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ ইতিহাসে এই প্রথম কোনো ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে এমন কঠোর অবস্থান নিয়েছে সংগঠনটি।</p>
<p>বুধবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।</p>
<p>এনএএসিপির প্রেসিডেন্ট ডেরিক জনসন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই প্রেসিডেন্ট অযোগ্য, অসুস্থ ও উন্মাদ।’ তিনি দাবি করেন, ট্রাম্পের বক্তব্য ও আচরণ শুধু উদ্বেগজনক নয়, বরং তা অত্যন্ত বিপজ্জনক।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, ‘যখন দেশের সর্বোচ্চ পদে থাকা ব্যক্তি সত্য, স্থিতিশীলতা ও জনগণের কল্যাণকে অবজ্ঞা করেন, তখন তা শুধু দেশের জন্য নয়, পুরো বিশ্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। তাই ট্রাম্পকে অবিলম্বে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতে হবে।’</p>
<p>উল্লেখ্য, মার্কিন সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী অনুযায়ী, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও মন্ত্রিসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য যদি মনে করেন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালনে অক্ষম, তবে তাকে অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু করা যায়।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-news.com/72709/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে , চাপে মানুষ</title>
		<link>https://www.bongo-news.com/72707</link>
		<comments>https://www.bongo-news.com/72707#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 07 Apr 2026 04:25:19 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[প্রথমপাতা]]></category>

		<category><![CDATA[সংবাদ শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[]]></category>

		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম]]></category>

		<category><![CDATA[নিত্যপণ্যের দাম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-news.com/72707</guid>
		<description><![CDATA[ 
ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আগ্রাসনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের বাজারে। যুদ্ধের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিশ্বের নৌবাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ থাকায় দেশে দেশে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম, যার বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে খাদ্যমূল্যেও। সংকটের কারণে দামের চেয়ে জ্বালানি তেলের দুষ্প্রাপ্যতা বড় সমস্যা হয়ে ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p> <img src="https://www.bongo-news.com/cloud/archives/2026/04/bongo-newsbazar-thumbnail.jpg" alt="নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে" /></p>
<p>ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আগ্রাসনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের বাজারে। যুদ্ধের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিশ্বের নৌবাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ থাকায় দেশে দেশে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম, যার বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে খাদ্যমূল্যেও। সংকটের কারণে দামের চেয়ে জ্বালানি তেলের দুষ্প্রাপ্যতা বড় সমস্যা হয়ে উঠতে পারে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার কারণে পাইকারি বাজারে পণ্যের দাম ও আমদানি ব্যয় বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাজারে। অন্যদিকে সরকার এখনও জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ালেও পরিবহন খরচ বাড়তে শুরু করেছে। উদ্যোক্তারা বলছেন, খরচ এরই মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে, যা উৎপাদন ব্যয়ের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করছে। এতে সরবরাহ শৃঙ্খলে অস্থিরতা দেখা দিচ্ছে।</p>
<p>জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এক প্রতিবেদনে বলেছে, জ্বালানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় মার্চ মাসে বিশ্বজুড়ে খাদ্যের দাম আগের মাসের তুলনায় ২ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। বৈশ্বিক খাদ্যমূল্য সূচক মার্চে ১২৮ দশমিক ৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, যা ফেব্রুয়ারির সংশোধিত স্তরের তুলনায় ২ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। দাম বাড়ার এই ধারা চলছে টানা দুই মাস ধরে। শস্য, মাংস, দুগ্ধজাত পণ্য, ভোজ্যতেল, চিনিসহ সব প্রধান পণ্যের দামই এ সময় বেড়েছে।</p>
<p>বৈশ্বিক খাদ্যমূল্য সূচক অনুযায়ী, মার্চে খাদ্যশস্যের মূল্যসূচক মাসিক ভিত্তিতে ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ১১০ দশমিক ৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে এবং বার্ষিক ভিত্তিতে বেড়েছে শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ। ভোজ্যতেলের দাম টানা তৃতীয় মাসের মতো বেড়েছে। এই পণ্যের মূল্য সূচক পৌঁছেছে ১৮৩ দশমিক ১ পয়েন্টে, যা গত ফেব্রুয়ারির তুলনায় ৫ দশমিক ১ শতাংশ বেশি। পাম তেলের দাম এখন সয়াবিন তেলকেও ছাড়িয়ে গেছে, যার পেছনে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি মূল ভূমিকা রেখেছে।</p>
<p>অন্যদিকে মাংসের মূল্যসূচক মার্চে গড়ে ১২৭ দশমিক ৭ পয়েন্ট হয়েছে, যা ফেব্রুয়ারির তুলনায় ১ শতাংশ এবং এক বছর আগের তুলনায় ৮ শতাংশ বেশি। দুগ্ধজাত পণ্যের মূল্যসূচক মাসে ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ১২০ দশমিক ৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, তবে এটি ২০২৫ সালের মার্চের স্তরের চেয়ে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশের নিচে রয়েছে।</p>
<p>এফএওর প্রতিবেদনে বলা হয়, চিনি বা খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার পেছনে প্রধান কারণ ছিল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, বিশ্বের শীর্ষ চিনি রপ্তানিকারক দেশ ব্রাজিল হয়তো আখ থেকে চিনি তৈরির বদলে ইথানল উৎপাদনের দিকে ঝুঁকবে। সংস্থাটি বলছে, চিনির দামের ওপর বাড়তি চাপের আরেকটি কারণ হলো মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার ফলে বাণিজ্যপ্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা।</p>
<p>এনবিআর ও ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সয়াবিন তেল ও কাঁচা তেলবীজ আসে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে। দেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত পাম অয়েল মূলত আসে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া থেকে। আমদানিকারকেরা জানান, এসব পণ্যের কোনো চালানই হরমুজ প্রণালি দিয়ে আসে না। তবে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম বাড়ছে, যার প্রভাব এখানেও দেখা যাচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ ‘পিংক শিট’ অনুযায়ী, মার্চে পাম অয়েলের গড় দাম ছিল প্রতি টনে ১ হাজার ১০৩ ডলার, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ১ হাজার ০৩৯ ডলার এবং জানুয়ারিতে ১ হাজার ০০৫ ডলার। সয়াবিন তেলের দাম আরও বেশি বেড়েছে। সয়াবিন তেলের দাম ফেব্রুয়ারির ১ হাজার ২৮২ ডলার থেকে বেড়ে মার্চে ১ হাজার ৪৮২ ডলারে পৌঁছেছে, অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে দাম বেড়েছে প্রায় ১৬ শতাংশ। সয়াবিন মিলের দামও বেড়ে মার্চে হয়েছে ৪৭৩ ডলার, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৪২৫ ডলার।</p>
<p>অন্যদিকে আলোচ্য সময়ে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে মসলা ও শুকনা ফলের। পেস্তাবাদামের দাম ৩০ শতাংশের বেশি বেড়ে কেজিতে ৪ হাজার ১০০ টাকায় পৌঁছেছে। শুকনা আলুবোখারার দাম ১৬০ শতাংশের বেশি বেড়ে ১ হাজার ৩২০ টাকা হয়েছে। এই দুই পণ্য মূলত ইরান ও আফগানিস্তান থেকে আসে। কিশমিশ, জিরা, জায়ফল ও জয়ত্রী- এসবের দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।</p>
<p>জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি মূল্য, জাহাজ ভাড়া এবং কাঁচামালের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের শিল্প উৎপাদন তীব্র ‘কস্ট-পুশ’ সংকটে পড়েছে। শিল্প খাতের নেতারা সতর্ক করে বলেছেন, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে উৎপাদন ব্যয় আরও বাড়বে, যার প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তা পর্যায়ে পণ্যের মূল্যস্ফীতির মাধ্যমে প্রতিফলিত হবে।</p>
<p>বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানিকারকরা ইতোমধ্যে আর্থিক চাপে পড়েছেন। আগে থেকেই নিশ্চিত হওয়া রপ্তানি আদেশে তারা বাড়তি কাঁচামাল ব্যয় বহন করতে বাধ্য হচ্ছেন। বৈশ্বিক চাহিদা কমে যাওয়ায় এই অতিরিক্ত খরচ ক্রেতাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগও কমে গেছে, ফলে মুনাফার মার্জিন কমে যাচ্ছে এবং লোকসানের ঝুঁকি বাড়ছে।</p>
<p>জানা গেছে, বিভিন্ন কাঁচামাল ও রাসায়নিকের আমদানি ব্যয় ১০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১৮৩ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। এর মধ্যে নন-কটন ফেব্রিকের দাম প্রায় ১৯ শতাংশ, পলিয়েস্টার ফিলামেন্ট সুতা ৭৯ শতাংশ, কটন সুতা ১৮ শতাংশ, রাসায়নিক ৫০ থেকে ১৮৩ শতাংশ, ইস্পাত কাঁচামাল ১৭ শতাংশ, ক্লিংকার ৩৪ শতাংশ, প্লাস্টিক রজন ৬৭ শতাংশ এবং ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল বা অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্টস (এপিআই)-এর দাম প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে।</p>
<p>কাঁচামালের দাম বাড়তে থাকায় আগেই নেওয়া অর্ডারগুলো নিয়ে রপ্তানিকারক ও উৎপাদকরা বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা করছেন। তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা সতর্ক করেছেন, বৈশ্বিক বাজারে পোশাকের চাহিদা কমে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয়ের পুরোটা আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের ওপর চাপানো সম্ভব না। ফলে অস্থির বাজার পরিস্থিতির মধ্যেই পোশাক রপ্তানিকারকদের ওপর নতুন করে চাপ তৈরি হচ্ছে।</p>
<p>অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’র মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে। শুধু জ্বালানি নয়, এর প্রভাব পড়ছে সব ধরনের পণ্য, খাদ্যদ্রব্য ও পুরো সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর। ফলে আগামী দিনে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে, এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই।</p>
<p>অর্থমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সংকট শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, বরং একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। বর্তমান জ্বালানি সংকট ইতোমধ্যে জাতীয় অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। অন্যান্য দেশ জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ালেও বাংলাদেশ এখনও তা করেনি, যা রাষ্ট্রীয় তহবিলের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-news.com/72707/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>রাজধানীর ফিলিং স্টেশন গুলোতে  দীর্ঘ হচ্ছে লাইন</title>
		<link>https://www.bongo-news.com/72705</link>
		<comments>https://www.bongo-news.com/72705#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 07 Apr 2026 03:54:11 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[প্রথমপাতা]]></category>

		<category><![CDATA[সংবাদ শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[জ্বালানি তেল]]></category>

		<category><![CDATA[পেট্রোলপাম্প]]></category>

		<category><![CDATA[ফিলিং স্টেশন]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-news.com/72705</guid>
		<description><![CDATA[
রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে প্রতিদিনই তেল নেওয়ার জন্য অপেক্ষমাণ গাড়ির লাইন বড় হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন চালকদের ভোগান্তি বাড়ছে অন্যদিকে সড়কে তেল নিতে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ির সারির কারণে প্রধান সড়কগুলোতে যানজটও বাড়ছে। এ অবস্থায় তেল সংগ্রহে ভোগান্তি নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে উদ্বেগও বাড়ছে।
সরেজমিন গতকাল দুপুরে মিরপুর কালশী এলাকার সুমাত্রা ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, তেলের জন্য ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bongo-news.com/cloud/archives/2026/04/bongo-newstel-thumbnail.jpg" alt="রাজধানীর ফিলিং স্টেশন গুলোতে  দীর্ঘ হচ্ছে লাইন" /></p>
<p>রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে প্রতিদিনই তেল নেওয়ার জন্য অপেক্ষমাণ গাড়ির লাইন বড় হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন চালকদের ভোগান্তি বাড়ছে অন্যদিকে সড়কে তেল নিতে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ির সারির কারণে প্রধান সড়কগুলোতে যানজটও বাড়ছে। এ অবস্থায় তেল সংগ্রহে ভোগান্তি নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে উদ্বেগও বাড়ছে।</p>
<p>সরেজমিন গতকাল দুপুরে মিরপুর কালশী এলাকার সুমাত্রা ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, তেলের জন্য অপেক্ষমাণ গাড়ির সারি পাম্পের আঙিনা থেকে ইসিবি চত্বর হয়ে ক্যান্টনমেন্টে প্রবেশের আগের সড়ক পর্যন্ত ছাড়িয়ে গেছে। এতদিন একই সময়ে ইসিবি চত্বর পর্যন্ত প্রাইভেট গাড়ির সারি থাকলেও গতকাল এটি আরও দীর্ঘ ছিল। ফিলিং স্টেশনটিতে তেল নিতে আসা আবুল খায়ের নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, এই পাম্পে গাড়ির লাইন একটু লম্বা হলেও এখানে সবসময় তেল পাওয়া যায়। এজন্য দুর্ভোগ হলেও কষ্ট করে এই পাম্প থেকে তেল নিতে আসি। তিনি আরও জানান, ঈদের এক সপ্তাহ পর থেকে তেলের জন্য গাড়ির লাইন দীর্ঘ হতে শুরু করে। গত দুই দিন এই লাইনের সারি আরও দীর্ঘ হয়েছে। গতকাল একই অবস্থা দেখা যায় রাজধানীর নিকুঞ্জ মডেল সার্ভিস সেন্টার অ্যান্ড সিএনজি ফিলিং স্টেশনেও। রবিবার দুপুরে এই ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে অপেক্ষায় থাকা গাড়ির লাইন কুড়িল ফ্লাইওভার পর্যন্ত ছিল। অথচ গতকাল দুপুরে এটি কুর্মিটোলা হাসপাতাল ছাড়িয়ে যায়। এদিকে তেলের অপেক্ষায় এখন রাজধানীর পেট্রোলপাম্পগুলোতে দিনরাতে সমানভাবে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যাচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে চালকরা ক্লান্ত ও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। অনেককেই ক্লান্ত হয়ে সড়কের পাশে কাগজ, কাপড় বিছিয়ে বসে থাকতে দেখা যায়।</p>
<p>তেল না পেয়ে সড়ক অবরোধ মানববন্ধন মারধর আটক : জ্বালানি তেল না পাওয়ায় বিভিন্ন স্থানে অপ্রীতিকর নানান ঘটনা ঘটছে। এর মধ্যে কোথাও সড়ক অবরোধ, কোথাও মানববন্ধন, মারধর ও আটক করার ঘটনা রয়েছে। আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-</p>
<p>জামালপুর : জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় পাম্পে তেল বিক্রি হওয়ার কথা ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও জ্বালানি তেল না পেয়ে দুই ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখেন মোটরসাইকেল চালকরা। এতে সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।</p>
<p>গতকাল সকালে ইসলামপুর পৌর এলাকার টংগের আগলা গ্রামে মেসার্স ঝর্ণা ফিলিং স্টেশনের সামনে দেওয়ানগঞ্জ-জামালপুর আঞ্চলিক সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে এ অবরোধ করা হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গিয়ে বুঝিয়ে সড়ক থেকে তাদের সরিয়ে দেয়। স্থানীয়রা জানান, তেল দেওয়া হবে এমন খবর ছড়িয়ে পড়ায় সকাল থেকেই শতাধিক মোটরসাইকেল চালক তেল নেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও পাম্প বন্ধ থাকা এবং কোনো তেল সরবরাহ না করায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা। একপর্যায়ে তাঁরা সড়কে নেমে অবরোধ সৃষ্টি করেন। অবরোধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই আঞ্চলিক সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। পরে ঘটনাস্থলে এসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করলে ধীরে ধীরে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। ইসলামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুুল কাইয়ুম গাজী বলেন, ওই ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা ছিল না। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর পোস্ট থেকেই এমন ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে।</p>
<p>কিশোরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জে একটি ফিলিং স্টেশনে নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলে তেল নিতে গিয়ে আটক হয়েছেন এক কারারক্ষী। গতকাল দুপুরে সদর উপজেলার চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে ঘটনাটি ঘটে। আটক কারারক্ষী শিহাব আহমেদ কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে কর্মরত। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিহাব আহমেদ নম্বরবিহীন একটি মোটরসাইকেল নিয়ে চৌধুরী ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসেন। সাধারণ বাইকাররা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করলেও কারারক্ষী সেই লাইন ডিঙিয়ে তেল নিতে থাকেন। এ সময় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফ ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বণ্টন কার্যক্রম মনিটরিং করছিলেন। মোটরসাইকেলটিতে কোনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর না দেখে তিনি কারারক্ষীর কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চান। কারারক্ষী শিহাব আহমেদ মোটরসাইকেলের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। পরে তাঁকে আটক করা হয়।</p>
<p>সদর ইউএনও কামরুল হাসান মারুফ জানান, আটক কারারক্ষীকে জেল সুপারের কাছে বুঝিয়ে দিয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।</p>
<p>ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহে ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের জ্বালানি তেল নিতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছেন পদ্মাকর ইউনিয়ন পরিষদের সাময়িক বরখাস্ত চেয়ারম্যান বিকাশ বিশ্বাস। রবিবার রাতে সদর উপজেলার ঝিনাইদহ-মাগুরা মহাসড়কের ধানহাড়িয়ায় মেসার্স শরিফুল ইসলাম ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।</p>
<p>বিকাশ বিশ্বাস সদর উপজেলার পদ্মাকর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ইউনিয়ন পরিষদে অনুপস্থিতির কারণে তিনি বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ইউপি নির্বাচনে জয়ী হন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিকাশ বিশ্বাস মোটরসাইকেলের জ্বালানি নিতে ফিলিং স্টেশনে যান। এ সময় সেখানে দীর্ঘ লাইন ছিল। অভিযোগ রয়েছে, তিনি লাইনে না দাঁড়িয়ে উল্টো পথে প্রবেশের চেষ্টা করলে অন্য একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ ঘটনা কেন্দ্র করে সেখানে উপস্থিত কয়েকজন তাঁর ওপর হামলা চালান। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। তবে বিকাশ বিশ্বাস দাবি করেন, এটি কোনো সাধারণ ঘটনা নয়, পূর্ববিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. রোকনুজ্জামানসহ ১০-১২ জন মিলে তাঁর ওপর হামলা করেন। অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে রোকনুজ্জামান বলেন, ‘সিরিয়াল ভেঙে তেল নেওয়ার চেষ্টা করায় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বাইকাররা তাঁকে মারধর করেছেন। এ ঘটনায় আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’</p>
<p>টঙ্গী (গাজীপুর) : গাজীপুরে টঙ্গী আমতলী এক্সিস সিএনজি ফিলিং অ্যান্ড কনভারশন সেন্টারে দীর্ঘ লাইনে অবস্থান নিয়ে পাঁচ ঘণ্টা অপেক্ষা করে ৫০০ টাকার জ্বালানি তেল পেয়েছেন বাইকাররা। এ ছাড়া তেল নিতে বেশ কয়েকটি লাইনের কারণে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। ফলে বাইকারদের মধ্যে মারমুখি অবস্থা তৈরি হলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাটি ঘটে রবিবার রাতে।</p>
<p>চাঁপাইনবাবগঞ্জ : চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে মালিকানা দ্বন্দ্বে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা পেট্রোলপাম্প চালুর দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। গতকাল সকাল ১০টার দিকে নাচোল বাসস্ট্যান্ডে নাচোল মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি (এনমাস) ও নাচোল উন্নয়ন ফোরামের যৌথ আয়োজনে এ মানববন্ধন করা হয়। উল্লেখ্য, নাচোলের প্রাণকেন্দ্র দক্ষিণ সাঁকো পায়ায় অবস্থিত মেসার্স সুইটি ফিলিং স্টেশনটি মালিকদের পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে দির্ঘদিন থেকে বন্ধ। ফলে জ্বালানি সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নাচোলের মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চালক ও মালিকরা।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-news.com/72705/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী আটক</title>
		<link>https://www.bongo-news.com/72703</link>
		<comments>https://www.bongo-news.com/72703#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 07 Apr 2026 03:35:58 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[প্রথমপাতা]]></category>

		<category><![CDATA[সংবাদ শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[শিরীন শারমিন]]></category>

		<category><![CDATA[সাবেক স্পিকার]]></category>

		<category><![CDATA[স্পিকার]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-news.com/72703</guid>
		<description><![CDATA[
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আটক করে ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে। তিনি এখন ডিবির হেফাজতে আছেন।
ডিবির যুগ্ম কমিশনার ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bongo-news.com/cloud/archives/2026/04/bongo-news-shirin-thumbnail.jpg" alt="সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী আটক" /></p>
<p>জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার (৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।</p>
<p>ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আটক করে ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে। তিনি এখন ডিবির হেফাজতে আছেন।</p>
<p>ডিবির যুগ্ম কমিশনার নাসিরুল ইসলাম জানান, শিরীন শারমিন চৌধুরীকে তাঁর এক আত্মীয়ের বাসা থেকে আটক করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কী কী মামলা আছে সেই বিষয়গুলো দেখা হচ্ছে। তারপর তাঁকে সুনির্দিষ্ট মামলায় আদালতে পাঠানো হবে।</p>
<p>২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল স্পিকার নির্বাচিত হন শিরীন শারমিন। এরপর থেকে টানা তিনি এই দায়িত্বে ছিলেন। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি বিএনপিবিহীন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আবার স্পিকার নির্বাচিত করা হয়।</p>
<p>শিরীন শারমিন রংপুর-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। এরপর ২০২৪ সালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর ২ সেপ্টেম্বর দ্বাদশ জাতীয় সংসদের স্পিকারের পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-news.com/72703/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট আরও প্রকট হতে পারে</title>
		<link>https://www.bongo-news.com/72701</link>
		<comments>https://www.bongo-news.com/72701#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 06 Apr 2026 03:46:24 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[প্রথমপাতা]]></category>

		<category><![CDATA[সংবাদ শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[ইরানযুদ্ধ]]></category>

		<category><![CDATA[বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট]]></category>

		<category><![CDATA[লোডশেডিং]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-news.com/72701</guid>
		<description><![CDATA[
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানযুদ্ধের মেয়াদ যত দীর্ঘ হচ্ছে, বাংলাদেশে ততই সংকট বাড়ছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে। সরকার একদিকে বলছে জ্বালানি সংকট নেই। অন্যদিকে প্রতিনিয়ত তেলের পাম্প ও ডিপোগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে। সরকার সব ধরনের জ্বালানি সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নিচ্ছে। অফিস ও দোকানপাট খোলা বা বন্ধের নতুন নিয়ম ঘোষণা করেছে। জ্বালানি সাশ্রয়ী ব্যবস্থা মেনে চলতে বলছে দেশবাসীকে। সরকারের এসব ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bongo-news.com/cloud/archives/2026/04/bongo-newsjalanitel-thumbnail.jpg" alt="বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট আরও প্রকট হতে পারে" /></p>
<p>মধ্যপ্রাচ্যে ইরানযুদ্ধের মেয়াদ যত দীর্ঘ হচ্ছে, বাংলাদেশে ততই সংকট বাড়ছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে। সরকার একদিকে বলছে জ্বালানি সংকট নেই। অন্যদিকে প্রতিনিয়ত তেলের পাম্প ও ডিপোগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে। সরকার সব ধরনের জ্বালানি সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নিচ্ছে। অফিস ও দোকানপাট খোলা বা বন্ধের নতুন নিয়ম ঘোষণা করেছে। জ্বালানি সাশ্রয়ী ব্যবস্থা মেনে চলতে বলছে দেশবাসীকে। সরকারের এসব উদ্যোগের লক্ষ্য আগামী দিনগুলোতে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা।</p>
<p>এদিকে ইরানযুদ্ধের ফলে অনেক দেশেই জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে অনেক দেশে জ্বালানি তেল ও পণ্যের দাম বেড়েছে। বাংলাদেশে দাম না বাড়লেও একাধিক সূত্র জানায়, দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে সরকার। বিশেষ করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর বিষয়টি বিশ্লেষণ করছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এদিকে বাড়ছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। বিশেষ করে এপ্রিল-মে মাস গরম ও শুষ্ক থাকে, এ সময় কৃষির সেচকাজে বিদ্যুৎ ও তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হয়। ফলে ইরানযুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদি সংকটে পড়তে যাচ্ছে দেশ।</p>
<p>বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, সরকার নানা উৎস থেকে জ্বালানি তেল আমদানির চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এখন যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল, এলএনজি অনেক বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। সরকারি রিজার্ভে চাপ পড়ছে। বিদ্যুৎ বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, জ্বালানি আমদানির স্বাভাবিক সময়েও দেশে লোডশেডিং করতে হয়। এখন যুদ্ধের কারণে এলএনজি, জ্বালানি তেল আমদানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ ছাড়া চলতি বছর সর্বোচ্চ গরম পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে আগামী দুই-তিন মাস বিদ্যুৎ সরবরাহ সামলানো নিয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের উদ্বেগ রয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডসূত্রে জানা যায়, এপ্রিল ও মে মাসে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নানা পরিকল্পনা করা হয়েছে।</p>
<p>বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) হিসাব অনুযায়ী, এই দুই মাসে বিদ্যুতের চাহিদা থাকবে সর্বোচ্চ ১৮ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত। তবে ইরানযুদ্ধ, এলএনজি আমদানি ও জ্বালানি তেলের সংকট, নিজস্ব গ্যাসপ্রাপ্তি ধারাবাহিকভাবে কমে যাওয়া, সর্বোপরি আর্থিক সংকটের কারণে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। সামগ্রিক বিষয় বিবেচনা করে সরকার বিদ্যুৎ সরবরাহের কিছু কৌশল প্রণয়ন করেছে। এসব কৌশলের মধ্যে রয়েছে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং বা লোড ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া।</p>
<p>বিদ্যুৎ বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, যুদ্ধের কারণে সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশ একটা বড় সমস্যার মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। মার্চ মাস ভালোভাবে পার হলেও এপ্রিল এবং মে মাস নিয়ে উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ রয়েছে। এ সময় এলএনজি সরবরাহ কমে গেছে। গ্যাসসংকটের কারণে প্রায় অর্ধেক বিদ্যুৎকেন্দ্র সারা বছরই বন্ধ থাকে। অর্ধেক চালু থাকলেও গ্যাসসংকটে সব সময় চালু রাখা কঠিন।</p>
<p>সূত্র জানায়, এ বছর মার্চ-এপ্রিলে গড়ে ৮০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে- এমন একটি পরিকল্পনা নিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহের কৌশল নির্ধারণ করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে কমপক্ষে এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের জোগান নিশ্চিত করতে হবে। এর চেয়ে কম গ্যাস সরবরাহ করা হলে লোডশেডিং এক হাজার মেগওয়াট পর্যন্ত ছাড়িয়ে যেতে পারে। জানা গেছে, এপ্রিল-মে মাসে পেট্রোবাংলা সর্বোচ্চ ৯০০ মিলিয়ন ঘটফুট পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ করতে পারবে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটে সার আমদানি বাধাগ্রস্ত হওয়ায় সরকার গ্যাস সরবরাহ দিয়ে কয়েকটি সার কারখানা চালু করবে। ফলে বিদ্যুৎ খাতে গ্যাসের সরবরাহ আরও কমবে। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে বিদ্যুৎ উৎপাদনে।</p>
<p>দুই মাসের সরবরাহের ব্যাপারে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ছয় হাজার মেগাওয়াটের পরিকল্পনা রয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগের। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে রয়েছে পাঁচ হাজার ৬৩৪ মেগাওয়াট। তেলভিত্তিক বিদুৎকেন্দ্র ব্যয়বহুল হওয়ায় দিনের বেলা চালাতে চায় সরকার। অন্যদিকে আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ ভারত থেকে দুই হাজার ৬৩৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে গতকাল বিকাল পর্যন্ত পিডিবির ওয়েবসাইটে দেখা যায়, বিদ্যুতের চাহিদা ১২ হাজার ৯৫০ মেগাওয়াট, তবে উৎপাদন হয়েছে ১২ হাজার ৪১৫ মেগাওয়াট। গতকাল পর্যন্ত দেখা যায় আদানি থেকে বিদ্যুৎ এসেছে মাত্র ৭৬৩ মেগাওয়াট, ত্রিপুরা থেকে ১৯২ মেগাওয়াট, ভেড়ামারা থেকে বিদ্যুৎ আসছে ৮৯৬ মেগাওয়াট। আদানি থেকে ১৫০০ মেগাওয়াটের পরিবর্তে অর্ধেক বিদ্যুৎ আসার বিষয়ে জানা যায়, তাদের কারিগরি ত্রুটির কারণে অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারছে না।</p>
<p>বিপিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম  বলেন, আদানি থেকে অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে। অর্থাৎ একটি ইউনিট চলছে। কারিগরি ত্রুটির কারণে অন্য ইউনিটটি বন্ধ আছে। ১১ এপ্রিলের পর বাকি ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।</p>
<p>জানা যায়, এ বছর গ্রীষ্মে বিদ্যুতের চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত হতে পারে। বিপিডিবি থেকে পেট্রোবাংলার কাছে ১২০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা দেওয়া হয়েছে। পেট্রোবাংলা এখন গড়ে ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সরবরাহ করছে। এলএনজি কার্গো আসতে না পারায় সেটা ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহে নেমেছে। এ অবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কীভাবে স্বাভাবিক রাখা যাবে জানতে চাইলে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো যাতে পুরোদমে চালানো যায় সে পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে সবগুলো কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র নরিনকোর একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ আছে। এপ্রিল মাসের পুরো কয়লা রয়েছে। আরও কয়লা আমদানির প্রক্রিয়া চলছে।</p>
<p>এদিকে সব দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ছয়টার পরিবর্তে সাতটা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। গতকাল সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।</p>
<p>জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতারা অন্তত সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার আবেদন করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী দোকান মালিক সমিতির আবেদন বিবেচনায় নিয়ে আগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেছেন। সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখা যাবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-news.com/72701/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>আজ থেকে শুরু হচ্ছে হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি</title>
		<link>https://www.bongo-news.com/72698</link>
		<comments>https://www.bongo-news.com/72698#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 05 Apr 2026 06:04:50 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[প্রথমপাতা]]></category>

		<category><![CDATA[বিবিধ]]></category>

		<category><![CDATA[সংবাদ শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[টিকাদান কর্মসূচি]]></category>

		<category><![CDATA[হামের টিকা]]></category>

		<category><![CDATA[হামের প্রাদুর্ভা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-news.com/72698</guid>
		<description><![CDATA[ 
হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ায় আজ থেকে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি নির্বাচিত উপজেলায় বিশেষ হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন এই টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। এই উদ্যোগের আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের হামের টিকা দেওয়া হবে।
গতকাল (৪ এপ্রিল) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p> <img src="https://www.bongo-news.com/cloud/archives/2026/04/bongo-newshamtika-thumbnail.jpg" alt="আজ থেকে শুরু হচ্ছে হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি" /></p>
<p>হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ায় আজ থেকে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি নির্বাচিত উপজেলায় বিশেষ হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন এই টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। এই উদ্যোগের আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের হামের টিকা দেওয়া হবে।</p>
<p>গতকাল (৪ এপ্রিল) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে এবং সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হবেন না। তিনি বলেন, বরগুনা, পাবনা, চাঁদপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, যশোরসহ মোট ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলা নির্বাচিত হয়েছে, যেখানে সম্প্রতি হামের প্রকোপ বেশি দেখা গেছে।</p>
<p>টিকার পাশাপাশি শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে। তবে শুধুমাত্র অসুস্থ শিশুদের জন্য এটি প্রযোজ্য। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, যারা আগেই হামের টিকা নিয়েছেন, তারা চাইলে এই বিশেষ কর্মসূচিতে আবার টিকা নিতে পারবে; একাধিকবার টিকা নিলেও কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা নেই।</p>
<p>এই বিশেষ কার্যক্রমের আওতায় বরগুনা সদর ও পৌরসভা, পাবনা সদর ও পৌরসভা, চাঁদপুর সদর ও পৌরসভা, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, গাজীপুর সদর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও পৌরসভা, নেত্রকোণা, ময়মনসিংহ সদর ও ত্রিশালসহ মোট ৩০টি হটস্পট উপজেলা বা পৌরসভায় টিকা প্রদান করা হবে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-news.com/72698/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>এক-এগারো সরকারের সঙ্গে ইউনূস সরকারের যোগসূত্র</title>
		<link>https://www.bongo-news.com/72697</link>
		<comments>https://www.bongo-news.com/72697#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 05 Apr 2026 04:11:44 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>

		<category><![CDATA[প্রথমপাতা]]></category>

		<category><![CDATA[সংবাদ শিরোনাম]]></category>

		<category><![CDATA[অন্তর্র্বর্তী সরকার]]></category>

		<category><![CDATA[ইউনূস সরকার]]></category>

		<category><![CDATA[এক-এগারো্‌]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-news.com/72697</guid>
		<description><![CDATA[
২০০৭ সালের এক-এগারোর ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কিংবা সমর্থন জানিয়েছিলেন এমন বেশ কয়েকজন ব্যক্তি অন্তর্র্বর্তী সরকারের আমলেও ক্ষমতাবান ছিলেন। যাঁরা দুই অনির্বাচিত সরকারের আমলেই ক্ষমতার কাছাকাছি ছিলেন, তাঁদের লক্ষ্যও ছিল এক ও অভিন্ন-গণতন্ত্র ধ্বংস, অর্থনীতি বিদেশনির্ভর এবং দেশকে বিদেশি শক্তির তাঁবেদার করা। এক-এগারোর অধরা নীলনকশা বাস্তবায়নের জন্য এঁরা গত ১৮ মাসেও ষড়যন্ত্র করেছেন। এঁরাই হলেন ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bongo-news.com/cloud/archives/2026/04/bongo-newsyunus-thumbnail.jpg" alt="এক-এগারো সরকারের সঙ্গে ইউনূস সরকারের যোগসূত্র" /><br />
২০০৭ সালের এক-এগারোর ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কিংবা সমর্থন জানিয়েছিলেন এমন বেশ কয়েকজন ব্যক্তি অন্তর্র্বর্তী সরকারের আমলেও ক্ষমতাবান ছিলেন। যাঁরা দুই অনির্বাচিত সরকারের আমলেই ক্ষমতার কাছাকাছি ছিলেন, তাঁদের লক্ষ্যও ছিল এক ও অভিন্ন-গণতন্ত্র ধ্বংস, অর্থনীতি বিদেশনির্ভর এবং দেশকে বিদেশি শক্তির তাঁবেদার করা। এক-এগারোর অধরা নীলনকশা বাস্তবায়নের জন্য এঁরা গত ১৮ মাসেও ষড়যন্ত্র করেছেন। এঁরাই হলেন এক-এগারো এবং বিদায়ি অন্তর্র্বর্তী সরকারের যোগসূত্র। বিদায়ি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এক- এগারোর অন্যতম সমর্থক ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বেই এক-এগারো সরকার গঠিত হওয়ার কথা ছিল। অন্তর্র্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সাখাওয়াত হোসেন এক-এগারোর সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন কমিশনার ছিলেন। বিএনপি ভাঙার ক্ষেত্রে তিনিই মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার বিএনপিকে অযৌক্তিকভাবে তিনিই বৈধতা দিতে চেয়েছিলেন। ২০০৮-এর নির্বাচনে তাঁর ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। ইউনূস সরকারের সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার এক-এগারোর অন্যতম কুশীলব। সেই সময়ও তিনি রাজনৈতিক সংস্কারের নামে বিরাজনীতিকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। এ ছাড়া সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানসহ অন্তত সাতজন অন্তর্র্বর্তী সরকারের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, যাঁরা এক-এগারোর সময় সক্রিয় ছিলেন। দুই সময়ই তাঁরা নির্বাচন ছাড়া দীর্ঘদিন সুশীল সরকারকে ক্ষমতায় রাখার চেষ্টা করেছেন। এক-এগারোর সময় মাইনাস ফর্মুলার জনক দুই সম্পাদক অন্তর্র্বর্তী সরকারের সময়ও পাদপ্রদীপে ছিলেন। ইউনূস যখন পদত্যাগের নাটক করলেন, তখন এঁদের একজন ড. ইউনূস সরকারের জন্য রীতিমতো কান্নাকাটি করে কলাম লিখেছিলেন। এ দুই সুশীল সমাজের মুখপত্র দুটি সংবাদপত্র নির্বাচন না করে সংস্কারের পক্ষে ওকালতি করেছে গত দেড় বছর। ২০০৭ সালেও এ দুই সংবাদপত্র মাইনাস টু ফর্মুলার পক্ষে, ‘দুই নেত্রীকে সরে যেতেই হবে’ শিরোনামে প্রথম পৃষ্ঠায় সম্পাদকীয় প্রকাশ করে। রাজনীতিবিদদের চরিত্রহনন, বেসরকারি উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা-ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালিয়ে এরা দেশ ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের পক্ষে একের পর এক অপপ্রচার চালায়। বিগত দেড় বছরও এরা রাজনীতি এবং গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল। বিএনপি সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েই এক-এগারোর ষড়যন্ত্রকারীদের আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে। এক-এগারোর সময় সেনাবাহিনীতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এর ফলে ২০০৭ সালে সংঘটিত বিরাজনীতিকরণ ষড়যন্ত্রের বিচার হবে বলে জনগণ আশা করছে। এ বিচার দেশের গণতন্ত্র এবং ভবিষ্যতে অবৈধ ক্ষমতা দখলের পথ বন্ধ করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। এক-এগারো কেবল সেনাবাহিনীর একটি অংশের ষড়যন্ত্র ছিল না। এ ষড়যন্ত্রের মূল কুশীলব ছিল সুশীল সমাজের একটি গোষ্ঠী। এঁরাই এক-এগারোর পট পরিবর্তনের পর ক্ষমতা দখল করেন। সেনাবাহিনীর কিছু সদস্য তাঁদের ক্ষমতা দখলের পথ প্রশস্ত করে দিয়েছিল। এক-এগারোর এসব সুশীল ষড়যন্ত্রকারীকে এখনো আইনের আওতায় আনা হয়নি। তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, এক-এগারোর বিচার করতে হলে সুশীল সমাজের ভূমিকা তদন্ত করতেই হবে। কারা ছিলেন এক-এগারো ষড়যন্ত্রের মূল হোতা?</p>
<p>২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি ক্ষমতা দখলের আগে যাঁরা এ ধরনের একটি সরকারের পক্ষে জনমত সৃষ্টি করেছিলেন, যাঁরা এ সরকারের রূপরেখা তৈরি করেছিলেন তাঁরা কারা? সে সময়ের ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০০১ সালের অক্টোবরের নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর সুশীল সমাজের মুখপত্র দুটি সংবাদপত্র এবং সুশীল সমাজের একটি অংশ ও কয়েকটি প্রভাবশালী দেশ এ দেশে দীর্ঘমেয়াদি অনির্বাচিত সরকার গঠনের পরিকল্পনা শুরু করেন। অনেকেই মনে করেন, এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের জন্যই ২০০৬ সালে ড. ইউনূসকে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন তাঁর আত্মজীবনী ‘মাই লাইফ’-এ বলেছেন, ইউনূস যেন নোবেল পুরস্কার পান সেজন্য তিনি সুপারিশ করেছিলেন। স্মরণ করা যেতে পারে, দেশিবিদেশি ষড়যন্ত্রে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যখন উত্তপ্ত এবং সংঘাতপূর্ণ, ঠিক তখনই গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে নোবেল পুরস্কার দিয়ে তাঁকে বাংলাদেশের জনগণের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসা হয়। নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর রাজনীতিমুখী হয়ে ওঠেন ড. ইউনূস। ‘নাগরিক শক্তি’ নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এ দলের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম। দল গঠনে জনমত গড়ে তোলার জন্য ইউনূস তিনটি খোলা চিঠি লিখেছিলেন। যার সব কটি ডেইলি স্টারে প্রকাশিত হয়েছিল।</p>
<p>দেশের প্রধান দুটি দলের মুখোমুখি অবস্থানকে উসকে দিয়েছিল সুশীল সমাজের মুখপত্র সংবাদপত্র দুটি। রাজনৈতিক দলগুলো যেন কোনো অবস্থাতেই সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারে সেজন্য একযোগে কাজ করে এ সংবাদপত্র দুটি এবং সুশীল সমাজের একটি অংশ। এভাবেই এক-এগারোর পটভূমি তৈরি করা হয়। এক-এগারো সরকারে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে প্রথম পছন্দ ছিলেন ড. ইউনূস। সাবেক সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদের গ্রন্থে পাওয়া যায়, ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারপ্রধান হওয়ার জন্য ড. ইউনূসকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু দুই বছর তাঁর লক্ষ্য অর্জনের জন্য যথেষ্ট সময় নয়, এ যুক্তিতে তিনি সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। তাঁর পরামর্শেই ফখরুদ্দীন আহমদকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করা হয়েছিল। অর্থাৎ ২০০৭ সাল থেকেই ড. ইউনূসের দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার আকাক্সক্ষা ছিল। এজন্য অন্তর্র্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নিয়ে প্রথম ১০ মাস নির্বাচনের বিরুদ্ধে ছিলেন। জনগণের চাপে শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। যেমন লক্ষ্য অর্জন ছাড়াই ক্ষমতা হস্তান্তর করতে বাধ্য হয়েছিলেন ফখরুদ্দীন সরকার, তেমন দেশ পরিচালনায় চরম ব্যর্থতার পরিচয় দেওয়ার পর ইউনূসকে আন্তর্জাতিক মুরুব্বিদের পরামর্শে এবং চাপে নির্বাচন দিতে হয়। ফখরুদ্দীন আহমদ সরকারের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি। কিন্তু তাঁদের দুই বছরের শাসনকালে বাংলাদেশ অন্তত ১০ বছর পিছিয়ে গেছে। এঁদের অসম্পূর্ণ ষড়যন্ত্র আবার জাগরিত হয় অন্তর্র্বর্তী সরকার আমলে। দেড় বছরে অন্তর্র্বর্তী সরকারও দেশ পরিচালনার সব ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়। ইউনূস সরকারও বাংলাদেশকে পিছিয়ে দিয়েছে আরও ২০ বছর।</p>
<p>লক্ষ করলে দেখা যায়, অন্তর্র্বর্তী সরকারের ভিতরে যাঁরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করেছিলেন, তাঁরা সবাই এক-এগারোরও কুশীলব ছিলেন। নির্বাচন নয়, আগে সংস্কার; জনগণ চায় আমরা আরও ৫০ বছর ক্ষমতায় থাকি; শুধু নির্বাচন দেওয়ার জন্য আমরা ক্ষমতায় বসিনি-এ কথাগুলো যাঁরা দেড় বছর বলেছেন, তাঁরা সবাই এক-এগারোর সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন। এক-এগারোর লক্ষ্য অর্জনের জন্য তাঁরা এবারও চেষ্টা করেছিলেন। এঁরা যদি আইনের আওতায় না আসেন তাহলে আবার গণতন্ত্রকে বিপদাপন্ন করার ষড়যন্ত্র করবেন। এঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে বাংলাদেশে গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার নিরাপদ নয়।</p>
<p>তথ্যসূত্রঃ  বাংলাদেশ প্রতিদিন</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-news.com/72697/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>নোয়াখালীতে  অবৈধ হাসপাতাল  বিরোধী অভিযান</title>
		<link>https://www.bongo-news.com/72695</link>
		<comments>https://www.bongo-news.com/72695#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 04 Apr 2026 17:40:46 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>

		<category><![CDATA[অবৈধ হাসপাতাল]]></category>

		<category><![CDATA[ক্লিনিক]]></category>

		<category><![CDATA[নোয়াখালী]]></category>

		<category><![CDATA[হাসপাতাল]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-news.com/72695</guid>
		<description><![CDATA[
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সেবা প্রদান ,  ব্যাঙের ছাতার মত যত্র  তত্র নিবন্ধনহীন  প্রাইভেট ক্লিনিক ও হাসপাতাল  নির্মাণ  সহ বিভিন্ন অভিযোগের  ভিত্তিতে  নোয়াখালী সিভিল সার্জন আনোয়ার হোসেন এর নেতৃত্বে  চৌমুহনী সহ বিভিন্ন এলাকায়  গত ৫  দিন ধরে অভিযান পরিচালিত হয় ।  অভিযানে ড্রীম হাসপাতালের কতৃপক্ষকে ২৫ ...]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="https://www.bongo-news.com/cloud/archives/2026/04/img-20260404-wa0000.jpg" alt="নোয়াখালীতে  অবৈধ হাসপাতাল  বিরোধী অভিযান" /></p>
<p>অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সেবা প্রদান ,  ব্যাঙের ছাতার মত যত্র  তত্র নিবন্ধনহীন  প্রাইভেট ক্লিনিক ও হাসপাতাল  নির্মাণ  সহ বিভিন্ন অভিযোগের  ভিত্তিতে  নোয়াখালী সিভিল সার্জন আনোয়ার হোসেন এর নেতৃত্বে  চৌমুহনী সহ বিভিন্ন এলাকায়  গত ৫  দিন ধরে অভিযান পরিচালিত হয় ।  অভিযানে ড্রীম হাসপাতালের কতৃপক্ষকে ২৫ হাজার, ইডেন হাসপাতালকে ৫০  হাজার  ও  হলি কেয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে  ১  লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয় । অন্য দিকে নিবন্ধন  না থাকার কারনে ইডেন হাসপাতালের সকল কার্যক্রম স্থগিত করা হয় ।  অভিযান চলাকালে  সিভিল সার্জন নোয়াখালী মহোদয়ের সাথে উপস্থিত ছিলেন , নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের  বিজ্ঞ  এক্সিকিউটিব  ম্যাজিষ্ট্রেট  কাওসারী আক্তার  , সহকারী কমিশনার ভূমি ( বেগমগঞ্জ ) সাদাত হোসেন , উপজেলা  স্বাস্থ্য ও পরিবার  পরিকল্পনা  কর্মকর্তা প্রমূখ ।  বিভিন্ন  সূত্রে  জানা যায় , দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে  মাইজদী ও চৌমুহনীতে সরকারী ও আধা সরকারী হাসপাতালের  চিকিৎসকেরা অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে  একাধিক হাসপাতাল খুলে বসে ।  সরকারী হাসপাতালে চাকুরী করার সুবাদে  আবার কখনো দালালদের  মাধ্যমে  রোগীদেরকে এসব হাসপাতালে  নিয়ে আসে । সেই সুবাধে হাতিয়ে নেয় মোটা অংকের টাকা , ধরিয়ে দেয় বিভিন্ন কোম্পানীর নাম সংবলিত ঔষধের  প্রেসক্রীপশন । অনেক সময় নরমাল ডেলেভারীকে সিজারের আওতায় এনে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয় । প্রতিটি সিজার রোগীকে ৫০  থেকে ৬০  হাজার টাকার হিসাব গুনতে হয় । অন্য দিকে সরকারী হাসপাতাল গুলোতে পর্যাপ্ত ঔষধ পাওয়া  যায় না । এসব অনিয়ম রোধে   সিভিল সার্জন কতৃপক্ষ অভিযান অব্যাহত রাখবেন বলে জানান ।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-news.com/72695/feed</wfw:commentRss>
		</item>
		<item>
		<title>কাজী আব্দুস সালাম-এর কবিতা ‘ঘোড়ার ডিম’</title>
		<link>https://www.bongo-news.com/72687</link>
		<comments>https://www.bongo-news.com/72687#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 04 Apr 2026 05:37:01 +0000</pubDate>
		<dc:creator>shafiqur</dc:creator>
		
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>

		<category><![CDATA[কাজী আব্দুস সালাম]]></category>

		<category><![CDATA[ঘোড়ার ডিম]]></category>

		<guid isPermaLink="false">https://www.bongo-news.com/72687</guid>
		<description><![CDATA[ 
ঘোড়ার ডিম পাড়বে কোথায়?
নতলব যেথায়
থাকে কোথায়?
সবার মাথায়।
আসলটা কি
কিছুই না
বলে কেন?
কইতে মানা।
দেখতে কেমন
ভাবনা যেমন
ভাবনাটা কি
তালের আঁটি।
দুত্তুরি ছাই
ঘোড়ার ডিম খাই
কেমন লাগে
মজা না পাই।
কল্পনায় ভাসে
কাজে না আসে
কাকেও দিতে চাইলে
রেগে গিয়ে হাসে।
এটা মস্ত একটা
মানিক রতন
কাটবে সময়
মনের মতন।

]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p> <img src="https://www.bongo-news.com/cloud/archives/2026/04/bongo-newsghorardim3-thumbnail.jpg" alt="ঘোড়ার ডিম" /></p>
<p>ঘোড়ার ডিম পাড়বে কোথায়?<br />
নতলব যেথায়<br />
থাকে কোথায়?<br />
সবার মাথায়।</p>
<p>আসলটা কি<br />
কিছুই না<br />
বলে কেন?<br />
কইতে মানা।</p>
<p>দেখতে কেমন<br />
ভাবনা যেমন<br />
ভাবনাটা কি<br />
তালের আঁটি।</p>
<p>দুত্তুরি ছাই<br />
ঘোড়ার ডিম খাই<br />
কেমন লাগে<br />
মজা না পাই।</p>
<p>কল্পনায় ভাসে<br />
কাজে না আসে<br />
কাকেও দিতে চাইলে<br />
রেগে গিয়ে হাসে।</p>
<p>এটা মস্ত একটা<br />
মানিক রতন<br />
কাটবে সময়<br />
মনের মতন।</p>
<p><img src="https://www.bongo-news.com/cloud/archives/2026/04/bongo-newssalam7-thumbnail.jpg" alt="কাজী আব্দুস সালাম" /></p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>https://www.bongo-news.com/72687/feed</wfw:commentRss>
		</item>
	</channel>
</rss>
