বৃহস্পতিবার ● ৫ মার্চ ২০২৬
বইমেলা-২০২৬; স্বপন চক্রবর্তী
Home Page » সাহিত্য » বইমেলা-২০২৬; স্বপন চক্রবর্তী
( পর্বাকারে আমি রঙলেপার ইতিহাস “ রঙলেপা-ভিতর বাহিরে অন্তরে অন্তরে” লিখতে চেষ্টা করছিলাম। ক্রমান্বয়ে সেখানে চলে এসেছিল বই মেলার প্রসঙ্গ। সেই বই মেলা নিয়েও ৬টি পর্ব লিখে পোস্ট করেছি। আর তখন রঙলেপার ইতিহাস লেখার পর্ব ছিল ১৯। তারপর আরও একটি পর্ব লিখে পোস্ট দিয়ে ছিলাম। তখন ২০২৬ এর বই মেলা শুরু না হওয়ায় সে সম্পর্কে কিছু লেখা হয়নি। পর্বের বাহিরে গিয়ে মেলা প্রেমীদের জন্য আজ এবারের বই মেলা নিয়ে সামান্য লিখছি। বাকি পর্বগুলো পরে লিখবো। )
এবারের বই মেলা প্রচলিত ধারার ব্যত্যয় ঘটিয়ে ১ ফেব্রুয়ারীর পরিবর্তে পচিশ দিন বিলম্বে শুরু হয়েছে। নির্বাচন -২০২৬ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ধরনের কাজ এবং ভোট গ্রহনের ফলে যথাসময়ে বই মেলাটি আর শুরু হয়নি। নির্বাচন প্রক্রিয়াটিও গতানুগতিক ছিল না, ছিল ব্যতিক্রমি। অস্বাভাবিক পদ্ধতিতে সরকার পরিবর্তন এবং সংবিধান সম্মতহীন এক সরকারের দায়িত্বে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অস্থির পরিস্থিতির আশংকা থেকেই বই মেলাটি একটু পিছিয়ে যায়। মেলাটি ২৬ ফেব্রুয়ারী হতে শুরু হয়েছে। ” বহুমত্রিক বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্য নিয়ে শুরু হওয়া এই বই মেলাটির উদ্বোধন করেছেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। ঐদিন দুপুর দুটায় মেলার প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি উপস্থিত ছিলেন। বই মেলায় মোট ৫৪৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। তন্মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অংশ নিয়েছে মোট ৪৬৮ টি স্টল। মোট ইউনিট সংখ্যা ১০৯৮টি। বাংলা একাডেমি যথারীতি ২৫% কমিশনে বই বিক্রি করবে। অন্যান্য বিক্রেতাগনও তাদের নির্ধারিত কমিশনে মেলায় বই বিক্রি করবে।
প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে ৪টা মূল মঞ্চে বিষয় ভিত্তিক আলোচনা এবং ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। শুক্র ও শনিবার সকাল ১১টা হতে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত থাকবে শিশুদের জন্য শিশু প্রহর।
মেলায় অধিকতর নিরাপত্তার জন্য পৃথক পৃথক প্রবেশ ও নির্গমণ পথে পর্যাপ্ত আর্চওয়ে রাখা হয়েছে। তা ছাড়াও সার্বিক ভাবে দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ, র্যাব, আনসার, ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। সমগ্র এলাকাটিকে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। মেলাটি রাখা হয়েছে পলিথিন ও ধুমপানমুক্ত। সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশের জন্য যথেষ্ট সতর্ক রয়েছে কর্তৃপক্ষ। তাছাড়া, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ছুটির দিনের অতিরিক্ত চাপের কথা বিবেচনায় রেখে সাজানো হয়েছে নিরাপত্তার পরিকল্পনা। সাদা পোশাকেও বিশেষ টীম কাজ করছে।
২৬ ফেব্রুয়ারী’২৬ হতে শুরু হওয়া এবারের বই মেলাটি ১৫ মার্চ পর্যন্ত ( ছুটির দিন ব্যতীত) প্রতিদিন বেলা ২ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে রাত ৮. ৩০ টা পর নতুন করে কেউ প্রবেশ করতে পাবেন না। ছুটির দিনে মেলাটি শুরু হবে সকাল ১১টা হতে এবং চলবে রাত ৯টা অব্দি। তথ্যঋণ-বঙ্গনিউজ. কম
বাংলাদেশ সময়: ২০:২৮:৫২ ● ৪১ বার পঠিত