শিশুদের সরকারি স্কুলে উপবৃত্তির সুফল

Home Page » প্রথমপাতা » শিশুদের সরকারি স্কুলে উপবৃত্তির সুফল
শনিবার ● ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪


শিশুদের সরকারি স্কুলে উপবৃত্তির সুফল

আজকাল শিশুদের ঝরে পড়া আর অনুপস্থিতি নেই বললেই চলে। বিভিন্ন বেসরকারি স্কুলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এগিয়েছে সরকারি স্কুলগুলো। আর এ জন্য সরকারের উপবৃত্তি কার্যক্রমকে অন্যতম সহায়ক হিসেব চিহ্নিত করলেন প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষকরা।

মুন্সীগঞ্জ শহরের মাঠপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিলুফা আফরোজ বলেন, ‘বছরের এই শুরুতে, এমন শীতের দিনেও সব বাচ্চা স্কুলে এসেছে। উপস্থিতির হার এখন প্রায় একশ ভাগ।’

এই চিত্র কেবল মাঠপাড়া স্কুলের নয়। পুরো মুন্সীগঞ্জ শহরই জানান দিচ্ছে, প্রতিটা সরকারি স্কুল কয়েক বছর আগের চেয়ে এখন অনেক জমজমাট। আজকাল শিশুদের ঝরে পড়া আর অনুপস্থিতি নেই বললেই চলে।

কিছু দিন আগেও সন্তানদের স্কুলে পাঠাতো না শিল্প কারখানার শ্রমিক ও আলু চাষের কৃষক হিসেবে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুন্সীগঞ্জে এসে বসত করা লাখো মানুষ। সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর চেয়ে ছেলে বা মেয়েটিকে কাজে দেওয়াই লাভজনক মনে করতো এই নিম্ন আয়ের মানুষেরা। তবে ওই মানসিকতার বিপুল পরিবর্তন এনেছে উপবৃত্তি।

মুন্সীগঞ্জ সদরের উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোসাম্মাৎ নাসিমা খানম বলছিলেন- এটা মূলত একটা শিল্প এলাকা। এখানে এ ছাড়া প্রচুর আলু চাষ হয়। ফলে বাইরে থেকে অনেক শ্রমিক ও কৃষক আসে। তাদের পরিবারগুলো থেকে আগে শিশুরা বিদ্যালয়ে আসতে কম আগ্রহ পেতো। এখন আমরা জরিপ করে দেখতে পাই, এসব পরিবারের সব শিশু বিদ্যালয়ে আসছে। এর কারণ অবশ্যই উপবৃত্তি।

উপকারভোগী শিশুদের পরিবার উপবৃত্তি কার্যক্রম ঠিকঠাক চালিয়ে নেওয়ার জন্য নগদ-কে ধন্যবাদ দিচ্ছেন। নগদ ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে উপবৃত্তি বিতরণ করছে। তারা ব্যাপারটা শুধু যে পুরোপুরি ডিজিটাল করেছে, তাই নয়। এখন উপবৃত্তি না পাওয়ার অভিযোগ নেই বললেই চলে।

এ কারণেই নগদ নিয়ে বলতে গিয়ে মোসাম্মাৎ নাসিমা খানম বলছিলেন, মোবাইল সেবা ‘নগদ’ এই সেবাটা দিচ্ছে। তারা খুব ভালোভাবে কাজটা করছে। আমার এই উপজেলায় খুব স্বচ্ছতার সঙ্গে উপবৃত্তি বিতরণ হচ্ছে। অনিয়ম দেখছি না।

এখন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মা, বাবা বা বৈধ অভিভাবকেরা নিজেদের সক্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে (এমএফএস) উপবৃত্তির টাকা গ্রহণ করছেন। ফলে কাউকে অন্য প্রতিষ্ঠানে নতুন করে হিসাব খুলতে হচ্ছে না, ভোগান্তিও নেই।

এখানে শিশুরা খুব ভালোভাবে টাকা পাচ্ছে। । আশা করবো, এভাবেই তারা দেশের শিক্ষার জন্য কাজ করে যাবে।

বাংলাদেশ সময়: ১৬:২১:৪৩ ● ৭৫ বার পঠিত




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

আর্কাইভ