রবিবার ● ১০ মে ২০২৬

আলোচনায় অগ্রগতি না হলে অপারেশন ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম প্লাস’ শুরু-ট্রাম্প

Home Page » জাতীয় » আলোচনায় অগ্রগতি না হলে অপারেশন ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম প্লাস’ শুরু-ট্রাম্প
রবিবার ● ১০ মে ২০২৬


ফাইল ছবি- ডোনাল্ড ট্রাম্প বঙ্গনিউজ: ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় অগ্রগতি না হলে অপারেশন প্রজেক্ট ফ্রিডম আবারও শুরু করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। এবারে অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম প্লাস’। এই অভিযানের লক্ষ্য হবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা। শনিবার (৯ মে) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছেন।
হোয়াইট হাউসের সামনে সাউথ লনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, যদি কোনো অগ্রগতি না হয়, তাহলে আমরা আবার প্রজেক্ট ফ্রিডমে ফিরে যেতে পারি। তবে সেটি হবে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম প্লাস’।
যুক্তরাষ্ট্র গত সোমবার ৪ মে অপারেশন প্রজেক্ট ফ্রিডম শুরু করেছিল। তবে পরদিনই ট্রাম্প সাময়িকভাবে এই অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দ্য জেরুজালেম পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা এবং প্রিন্স সালমানের চাপেই ওই অভিযানে ইস্তফা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন ট্রাম্প।
তবে ট্রাম্প জানান, পাকিস্তান ও আরও কয়েকটি দেশের অনুরোধে তিনি এই উদ্যোগ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছেন।
প্রসঙ্গত, জেনেভা শহরে আলোচনা চলা অবস্থায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথবাহিনী। এতে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশকিছু শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন। একই দিনে মিনাব শহরের শারজাহ তায়্যিবাহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মার্কিন টমাহক মিসাইল হামলায় ১৬৮ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়। এই ঘটনাকে যুদ্ধাপরাধ বলে ঘোষণা দিয়েছে ইরান সরকার। এর প্রতিবাদে টানা ৩৯ দিনে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ১০০ দফা হামলা চালায় ইরান।
এরপর ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতে ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেন ট্রাম্প। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় এবং ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে সরাসরি বৈঠক করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়া ১৩ এপ্রিল হরমুজে নৌ-অবরোধ আরোপ করা হয়। এরপর আরেক দফা যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ান ট্রাম্প।
ইরানের লিগ্যাল মেডিসিন সংস্থার তথ্যমতে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সংঘাতে মোট ৩ হাজার ৩৮০ জন নিহত হন, যার মধ্যে ২ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ এবং ৪৯৬ জন নারী। এছাড়া জরুরি চিকিৎসা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধে ১১৮ জন চিকিৎসাকর্মী আহত হন এবং ২৬ জন নিহত হন। সূত্র-তাস

বাংলাদেশ সময়: ১৮:৩৯:১৭ ● ১৬ বার পঠিত