শুক্রবার ● ২৪ এপ্রিল ২০২৬

অপরাধীদের ধরতে ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা

Home Page » জাতীয় » অপরাধীদের ধরতে ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা
শুক্রবার ● ২৪ এপ্রিল ২০২৬


প্রতীকী ছবি
রাজধানীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি জোরদারে ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এর মধ্যে অপরাধপ্রবণ মোহাম্মদপুর এলাকায় বসানো হবে প্রায় ৭০০ ক্যামেরা। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকায় অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প উদ্বোধন ও থানা পুলিশের ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।
তিনি বলেন, রাজধানীজুড়ে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি বাড়ানোর এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সহজ হবে। মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর গ্যাং, ছিনতাই ও মাদক-সংক্রান্ত অপরাধের প্রবণতা বেশি থাকায় এখানে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। এ কারণে এই এলাকায় সরকারিভাবে ৭০০ সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। এলাকাটিতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং নতুন পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কমিশনার বলেন, অপরাধীদের একটি তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে। তাদের আয়ের উৎস ও কার্যক্রম বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধেও কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হবে। গুলশান-বনানী এলাকার বিপুলসংখ্যক সিসি ক্যামেরার মডেল অনুসরণ করে মোহাম্মদপুরেও নজরদারি জোরদার করা হবে।
ঢাকার পুলিশপ্রধান নগরবাসীকে নিজ নিজ বাসা ও প্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের আহ্বান জানান এবং অপরাধীদের তথ্য দিলে পুরস্কারের ব্যবস্থা থাকবে বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তা‌লিকাভুক্ত সন্ত্রাসী‌দের ছ‌বি প্রকাশ করা হ‌বে। ডিএমপি অচি‌রেই হোটে‌ল, রেস্টু‌রেন্টের ম‌্যা‌নেজার ও মা‌লিক‌দের তথ‌্য এবং বাসাবা‌ড়ির ভাড়াটেদের তথ‌্য-সংক্রান্ত অ‌্যাপ চালু কর‌বে।
এদিকে জেনেভা ক্যাম্পে আগে অনেক পুলিশ মোতায়েন থাকলেও বর্তমানে নেই। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছি। আমরা এখানে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়িয়েছি। পাশাপাশি র‍্যাব, ডিবি, পুলিশ কাজ করছে। অপরাধীদের ধরতে আমরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছি।

অপরাধ দমনে কঠোর পদক্ষেপ দাবি
মোহাম্মদপুর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। গতকাল বিকেলে ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠানে তারা এ দাবি জানান। তারা বলেন, কিশোর গ্যাং, ছিনতাই ও মাদক-সংক্রান্ত অপরাধ বেড়ে যাওয়ায় এলাকাটির সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। রায়েরবাজার, বেড়িবাঁধ ও বুদ্ধিজীবী কবরস্থান এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে এসব স্থানে কঠোর নজরদারির আহ্বান জানানো হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৬:৫৫:৩৮ ● ৯ বার পঠিত