
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যার প্রধান দুই অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ও আলমগীর হোসেনকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় আদালতে পাঠানো হয়েছে।
১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে আজ রোববার উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বিধাননগর মহকুমা আদালতে তোলা হয় তাদের। এ সময় হাদি হত্যার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ওই ঘটনায় তারা জড়িত ছিলেন না বলে দাবি করেন।
এর আগে শারীরিক পরীক্ষার জন্য দু’জনকে বিধান নগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কোনো প্রশ্নের জবাব দেননি তারা।
৭ মার্চ রাতে অভিযুক্ত দু’জনকে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। ৩৭ বছর বয়সী ফয়সাল করিম মাসুদের বাড়ি বাংলাদেশের পটুয়াখালীতে। ৩৪ বছর বয়সী আলমগীর হোসেনের বাড়ি ঢাকায়।
এসটিএফ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন দু’জনেই মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করছিলেন তারা। সুযোগ বুঝে ফের তারা বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। তার আগেই তারা আটক হন।
পরে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে তাদের বিধান নগর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। আদালত ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডের নির্দেশ দেন। রিমান্ড শেষে রোববার ফের তাদের আদালতে তোলা হয়।
গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট পরিহিত দুর্বৃত্তরা শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ১৮ ডিসেম্বর রাত সাড়ে নয়টায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।