
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী আ না ম এহসানুল হক মিলন বলেন , এ দেশের ভবিষ্যৎ চিন্তায় বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া উদ্বিগ্ন । তাই শিক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে তারেক জিয়া ২৪ ঘন্টা কাজ করে যাচ্ছে । ল্যাপটপের মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়া পদ্ধতিতে ক্লাস করানো এই সরকারের লক্ষ্য । ইতিমধ্যে আমরা সিলেবাস কারিকুলাম পরিবর্তন করেছি ।আমাদের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অনুসরণে আমাদের নেতা তারেক জিয়া এই কাজ গুলো করছে ।
আমাদের সবার মস্তিস্ক এক । তাই মস্তিষ্কের সঠিক পরিচর্যার মধ্য দিয়ে জনসংখ্যাকে মানব সম্পদে রুপান্তর করতে হবে । কারিগরী , নৈতিক , সাংস্কৃতিক ও আনন্দ শিক্ষা সম্পূর্ন একটি জাতি গড়ে তুলতে পারলে বাংলাদেশকে আর কে ঠেকাতে পারবে? আমরা শিক্ষায় কোনো বৈষম্য রাখতে চাইনা । মাদ্রাসা শিক্ষাসহ সকল শিক্ষাকে প্রাধান্য দিচ্ছি । বর্তমানে বাংলাদেশে ৬৫ হাজার ৫০০ স্কুল রয়েছে ।তার মধ্যে ২৫ হাজার ৫০০ স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই । ২০১৭ সালে একটি মামলাকে কেন্দ্র করে এই সমস্যা তৈরি হয় । এই ব্যাপারে হাই কোর্টের রায় পাওয়ার ব্যাপারে সরকার কাজ করে যাচ্ছে । অ্যাওয়ার্ড নিছক কোনো জিনিস নয় । কর্ম এবং রেজাল্টের উপর ভিত্তি করে এটি দেওয়া হয় । যারা অ্যাওয়ার্ড পান তাদের দায়িত্ব হচ্ছে পরবর্তীতে দেশ ও জাতিকে গড়ার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করা ।
তিনি আজ ২২ জুন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের ২০ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বীর শ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন । ২০০৩ সালে সাগর সংলগ্ন এলাকা এই সোনাপুরে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার হাত ধরে এই বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন হয়। পরে ২০০৬ সালে এসে আবার তাঁর হাত ধরেই এর একাডেমিক কাজ শুরু হয় । এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য যা যা করা দরকার আমার সরকার করবে ।
অত্র বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন , নোয়াখালী ৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ শাহাজান , ৫ আসনের সংসদ সদস্য ফখরুল ইসলাম , বাংলাদেশ বিশ্ব বিদ্যালয়ের মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহম্মেদ । শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন , অধ্যাপক ড. আব্দুল কাইয়ুম মাসুদ ।
শূভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অত্র বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপ - উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শহীদুল ইসলাম ।
এর আগে প্রধান অতিথি এহসানুল হক মিলন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্যাকেট ও অভিনন্দন গ্রহন করেন । পরে তিনি জাতীয় পতাকা উত্তোলন , বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে এবং কেক কেটে বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর শূভ উদ্বোধন করেন । পরে তিন তিন বারের প্রধান মন্ত্রী ও অত্র বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার সম্মানে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় । পরিশেষে প্রধান অতিথি অত্র বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ডিন অ্যাওয়ার্ড ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ প্রদান করেন এবং অত্র বিশ্ব বিদ্যালয়ের নীল দীঘি, শিশু পার্ক সহ ৬ টি প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন ।