বঙ্গনিউজ: রাজধানীর পল্লবীতে বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের শিকার আট বছর বয়সী এক শিশুর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি নিহত শিশুর স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং পুরো ঘটনার দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে তিনি পল্লবীতে ওই শিশুর বাসায় যান। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এই ঘৃণ্য অপরাধের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত প্রতিবেশী ভাড়াটিয়া সোহেল রানা ইতিমধ্যে ঢাকার আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এর আগে পুলিশ তাকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করে। তাদের পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয় আরেক ব্যক্তিকে আসামি করে শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেছেন নিহত শিশুর বাবা। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠেছে।
নিহত শিশুটি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার সকালে শিশুটি বাসা থেকে বের হয়। এরপর তাকে ফুসলিয়ে পাশের ফ্ল্যাটে নিয়ে এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। পরবর্তীতে ওই ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
প্রধানমন্ত্রীর এই সাক্ষাতের সময় তার সঙ্গে বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ছিলেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনও এই সময় তার সঙ্গে ছিলেন।